প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে শপথ গ্রহণের পরদিন বুধবার। বৈঠকে ১৮০ দিনের কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের কথা হয়েছে। বুধবার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা এসব তথ্য জানান। রমজানের সময়ে পরিস্থিতি, বিদ্যুৎ সরবরাহের মতো বিষয়গুলিকে আপাতত অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে।
বুধবার বৈঠক শেষে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ জোনায়েদ সাকি বলেন, "১৮০ দিনের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে সরকার। এ সময়ের মধ্যে গৃহীত কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া রমজানে যেন স্বস্তিদায়ক পরিবেশ থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতেও নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি গণমাধ্যম কমিশনের প্রস্তাবও হাতে আছে, সেগুলো নিয়ে কাজ করা হবে।" বৈঠকের বিষয়ে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, "জনগণ মত দিয়েছেন, তাই প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা যেন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেন, সে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।"
শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মহম্মদ নুরুল হক নুর বলেন, "দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত হয়ে দৃশ্যমান কাজ করার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন।" প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, "রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ইদে নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।"
উল্লেখ্য, তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে ঢাকায় যান লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। সৌজন্য সফরে বাংলাদেশের বিরোধী দলনেতা নেতা ও বাংলাদেশ জামাতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন মিসরি। দু’জনেই ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে আস্থা ব্যক্ত করেছেন। মোদির ‘দূত’ বিক্রম মিসরির সঙ্গে জামাতের আমিরের সাক্ষাৎ উভয় দেশের কূটনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
