ফের অবৈধ অনুপ্রবেশ! সেই অভিযোগে ভারতীয় জলসীমায় প্রথমে আটক ও পরে গ্রেপ্তার হলেন ২৪ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী। উপকূল রক্ষী বাহিনীর হাতে তাঁরা পাকড়াও হয়েছেন। মাছ ধরার সময় ওই আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ভারতে ঢুকে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই কথা প্রাথমিকভাবে জেরায় জানানো হয়েছে। তবে সেই কথা কতটা সত্য? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।
ফের অবৈধ অনুপ্রবেশ বাংলাদেশী মৎস্যজীবীদের। আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ভারতের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরার সময় তাঁদের আটক করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। আজ, সোমবার দুপুরে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার পুলিশ অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার করেছে ওই মৎস্যজীবীদের। গভীর সমুদ্রে আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরছিল বাংলাদেশি ট্রলার এফবি স্বপন। ট্রলারে ছিলেন ২৪ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী। টহলরত ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর নজরে আসে ট্রলারটি। তৎক্ষণাৎ ধাওয়া করে বাংলাদেশি ওই ট্রলারটিকে ধরে ফেলেন বাহিনীর জওয়ানরা। বৈধ কোনও কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ট্রলারসহ সকল মৎস্যজীবীকে আটক করা হয়। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশি ওই অনুপ্রবেশকারীদের ফ্রেজারগঞ্জ বন্দরে নিয়ে আসে উপকূল রক্ষী বাহিনী। তাঁদের তুলে দেওয়া হয় ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই মৎস্যজীবীদের সকলকেই অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি মৎস্যজীবীদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আগামী কাল, মঙ্গলবার ধৃতদের কাকদ্বীপ এসিজেএম আদালতে তোলা হবে। উল্লেখ্য, এর আগেও বেশ কয়েকবার অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে শতাধিক বাংলাদেশী মৎস্যজীবীকে ভারতীয় জলসীমায় আটক করেছিল উপকূল রক্ষী বাহিনী। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মৎস্যজীবীকে মুক্তি দেওয়া হলেও এখনও কাকদ্বীপ আদালতে বিচার চলছে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ধরা পড়া অন্যান্য মৎস্যজীবীদের। প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগেও একাধিকবার বহু বাংলাদেশি মৎস্যজীবীরা ভারতে আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে ঢুকে পড়েছিল বলে অভিযোগ।
