shono
Advertisement

Breaking News

Bankura

জঙ্গলমহলে এটিএম থেকে ‘মানি ট্রেল’, ৭২ কোটির জালিয়াতিতে বাঁকুড়ায় ধৃত ৭, কিংপিংয়ের খোঁজে পুলিশ

এটিএমে টাকা তোলার ছবিটাই শেষপর্যন্ত খুলে দিল গোটা রহস্যের দরজা! কোনও একটি অ্যাকাউন্ট নয়, রানিবাঁধের একাধিক এটিএমে ধারাবাহিক নগদ তোলার ট্রানজ্যাকশন প্যাটার্ন নজরে আসতেই সন্দেহ দানা বাঁধে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের।
Published By: Suhrid DasPosted: 06:32 PM Aug 31, 2026Updated: 07:02 PM Aug 31, 2026

এটিএমে টাকা তোলার ছবিটাই শেষপর্যন্ত খুলে দিল গোটা রহস্যের দরজা! কোনও একটি অ্যাকাউন্ট নয়, রানিবাঁধের একাধিক এটিএমে ধারাবাহিক নগদ তোলার ট্রানজ্যাকশন প্যাটার্ন নজরে আসতেই সন্দেহ দানা বাঁধে বাঁকুড়া জেলা পুলিশের। তার আগে ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালের ডেটা অ্যানালিসিসে রানিবাঁধকে সম্ভাব্য সাইবার ক্রাইম ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেখান থেকেই শুরু ক্রিমিনাল ট্র্যাকিং। অভিযোগের তথ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ফিনান্সিয়াল ট্রেল, এটিএম থেকে নগদ তোলার সময় ও স্থান এবং অ্যাকাউন্টগুলির পারস্পরিক লেনদেনের মানি ট্রেল মিলিয়ে তদন্ত এগোয়। মাত্র সাতদিনের মধ্যে পুলিশের জালে ৭ জন। কিংপিনের খোঁজে বাঁকুড়া পুলিশ।

Advertisement

সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করেন বাঁকুড়ার জেলা পুলিশ সুপার ভিজি সতীশ। ডেটা অ্যানালিটিক্স, অ্যাকাউন্ট ট্রেসিং, ট্রানজ়্যাকশন ট্রেল অ্যানালিসিস এবং ক্রিমিনাল লিঙ্কেজ—একাধিক সূত্রকে পাশাপাশি রেখে তৈরি হয় সন্দেহভাজনদের ‘চেইন’। একটি অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর কোন অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে? কতক্ষণ পর নগদে তোলা হচ্ছে? কোন কোন এটিএম ব্যবহার হচ্ছে? এই ফিনান্সিয়াল ট্র্যাকিং-ই তদন্তকারীদের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দেয়।

তদন্তকারীদের নজরে আসে, রানিবাঁধ এলাকার একাধিক এটিএম থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা তোলা হচ্ছে। সেই লেনদেনের সূত্রে ধরে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির তথ্য হাতে আসে। এরপর ওইসব অ্যাকাউন্ট ম্যাপিং হয়। কোথায় অভিযোগ হয়েছে, কোন অ্যাকাউন্টে প্রতারণার টাকা ঢুকেছে এবং সেই টাকা পরে কোথায় গিয়েছে? এই লিঙ্ক অ্যানালিসিস থেকেই তদন্তকারীরা পৌঁছন দুষ্কৃতী অবধি।

একে একে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম পিন্টু মান্ডি, আরশাল সরেন, দেবব্রত পাল, সোভন সরেন, দিব্যেন্দু মালিক, অবিনাশ মান্ডি ও দীপক সর্দার। দেবব্রত পাল ওড়িশার বালেশ্বরের বাসিন্দা। উদ্ধার হয়েছে ৩৪টি ব্যাঙ্ক পাসবুক, ১৩টি এটিএম কার্ড ও ৯টি চেকবই, পাশাপাশি আধার, প্যান ও ভোটার কার্ড-সহ বিভিন্ন নথি। পুলিশের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭২ কোটি টাকার প্রতারণার যোগসূত্র সামনে এসেছে। চক্রের জাল কত দূর ছড়িয়ে? আর কারা জড়িয়ে আছে? সেসব বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement