দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে (BJP worker) খুন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়েছে দু’জনকে।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম প্রদীপ হালদার। একটা সময়ে কংগ্রেসের কর্মী ছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে যোগ দেন তৃণমূলে। সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় থাকতেন না প্রদীপ। সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধেয় বাড়িতে যান প্রদীপ। বাড়ি ফিরে ধান ঝাড়ছিলেন তিনি। সেই সময় ফোন পেয়ে বেরিয়ে যান প্রদীপ। এরপর আর ফেরেনননি তিনি। পরে উদ্ধার হয় প্রদীপের ক্ষতবিক্ষত দেহ। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে পড়ার পরই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ওই ঘটনার পরই গোপীনাথ হালদার মানে এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালায় স্থানীয়রা। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ঘটনার নেপথ্যে ওই ব্যক্তি থাকতে পারেন বলে দাবি স্থানীয়দের।
[আরও পড়ুন: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা আধিকারিকের অস্ত্র-সহ ব্যাগ চুরি, তদন্তে GRP]
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রথমে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে প্রদীপকে। তারপর ইট দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই হত্যাকাণ্ড? নেপথ্যে রাজনীতি নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতা তা নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ। তবে প্রতিশোধ নিতে প্রদীপকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে বলেও অনুমান তদন্তকারীদের। কারণ, বছর দুয়েক আগে খুন হল এলাকারই যুবক বিশ্বজিৎ হালদার। সেই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল প্রদীপের। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। দ্রুতই প্রকাশ্যে আসবে আসল তথ্য। ইতিমধ্যেই দুজনকে আটক করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে রহস্যভেদ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
