দেবব্রত দাস, খাতড়া: ফের রাজ্যে খুন তৃণমূল কর্মী (TMC Worker)। এবার ঘটনাস্থল বাঁকুড়ার তালডাংরা থানার সাবরাকোন অঞ্চলের মাণ্ডি গ্রাম। রাজনৈতিক কারণ নাকি স্রেফ গ্রাম্য বিবাদেই খুন হলেন ওই তৃণমূল কর্মী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দিনকয়েক আগে বাঁকুড়ার (Bankura) মাঝিপাড়ায় গরু বাঁধা নিয়ে গণ্ডগোল হয়। সেই অশান্তি মেটাতে শনিবার সাবরাকোন অঞ্চলের মাণ্ডি গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় রায়ের বাড়িতে বসেছিল সালিশি সভা। সেখানে আচমকাই চলে যান বিপ্লব রায় নামে ওই তৃণমূল কর্মী। অভিযোগ, সালিশি সভা চলাকালীন বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিপ্লব। মুহূর্তের মধ্যে তা হাতাহাতির রূপ নেয়। অভিযোগ, বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় ওই তৃণমূল কর্মীকে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।
[আরও পড়ুন: কালীপুজোর দিন বদলাচ্ছে মেট্রো চলাচলের সময়সূচি, দক্ষিণেশ্বরের যাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা]
মারধরের কথা জানাজানি হওয়ার পর বিপ্লব রায়কে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় বিপ্লবকে। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, মৃত্যু হয়েছে ওই তৃণমূল কর্মীর।
এই ঘটনার পরই তালডাংরা থানায় যান নিহতের স্ত্রী। খুনের অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তৃণমূল কর্মী বিপ্লব রায়ের হত্যা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা কোন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও জানা যায়নি। রাজনৈতিক কোনও কারণে খুন (Murder) নাকি তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর নেপথ্যে গ্রাম্য বিবাদই দায়ী, সে বিষয়টি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। ধৃতদের জেরা করে বিপ্লব রায়কে খুনের আসল কারণ জানা যাবে বলে আশা তদন্তকারীদের।
