বারুইপুরের পর কোচবিহার! কমিশনের তালিকায় মৃত ১০ ভোটারকে সভা মঞ্চে হাজির করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনকে বিঁধে তাঁর তোপ, "এই ১০ জনকে বিজেপির দালাল নির্বাচন কমিশন ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার মৃত বলে ঘোষণা করেছেন।" সভায় হাজির জনতার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করেন, "আমার পাশে যাঁরা দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁদের কি মৃত বলে বলে মনে হচ্ছে?" তাঁর আরও হুঙ্কার, "শুধু রাজ্যের টাকা আটকে রাখা নয়। আমাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে দিল্লির জমিদাররা। আগামীর লড়াই আবর্জনা সাফ করার লড়াই।"
রণসংকল্প কর্মসূচি নিয়ে জেলায় জেলায় সভা করছেন অভিষেক। আজ, মঙ্গলবার কোচবিহারে সভা করলেন তিনি। সেখানে ১০ জন ভোটারকে হাজির করেন অভিষেক। এসআইআরের প্রকাশিত খসড়া তালিকায় তাঁদের নাম নেই। কমিশনের খাতায় তাঁরা মৃত।সেই ভোটারদের সভায় হাজির করে অভিষেক বলেন, "আমার সঙ্গে ১০ জন রয়েছেন, তাঁরা সবাই কোচবিহারের মানুষ। এই মাটিতে জন্মেছেন। বড় হয়েছেন। তাঁদের বিজেপির দালাল নির্বাচন কমিশন ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার মৃত বলে ঘোষণা করেছেন।" অপরিকল্পিত এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য ৭৮ জন মারা গিয়েছেন বলে তোপ দেগেছেন অভিষেক। এই 'প্রহসনে'র বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপিকে জঞ্জাল বলে তোপ দেগে বলেন, "আগামীর লড়াই আবর্জনা সাফ করার লড়াই।" সভায় উপস্থিত জনতাকে প্রশ্ন ছুঁড়ে বলেন, "যাঁরা এই মাটিকে অপমানিত করেছে তাঁদের জবাব দেবেন না?" এদিনের সভামঞ্চ থেকে ফের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার পাশাপাশি, বিজেপি সরকার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
বিজেপিকে জঞ্জাল বলে তোপ দেগে বলেন, "আগামীর লড়াই আবর্জনা সাফ করার লড়াই।"
মঞ্চ থেকে দিল্লি যাওয়ারও ডাক দিয়েছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, "মাঠে যা লোক হয়েছে তাঁর এক তৃতীয়াংশ জনতা দিল্লি গেলে নেতারা বানের জলে ভেসে যাবে।" এছাড়াও, বাঙালি মনীষীদের ভুল নাম নেওয়া, বাংলা ভাষাকে অপমান করা নিয়েও বিঁধেছেন বিজেপিকে। বাংলার ভাষায় কথা বললে বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, "শুভেন্দু অধিকারী, নিশীথ প্রামাণিকরা কোন ভাষায় কথা বলেন?" সভা থেকে কোচবিহারে বিজেপি শূন্য করার ডাক দেন অভিষেক।
