shono
Advertisement

রাজ্যে তৃণমূল ও কংগ্রেসের মধ্যে আসন রফা সারা? ডালুবাবুর দাবি ঘিরে জল্পনা

শিলিগুড়িতেও কংগ্রেসের সঙ্গে পাহাড়ের নেতাদের বৈঠক।
Posted: 09:17 PM Dec 27, 2023Updated: 09:17 PM Dec 27, 2023

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: রাজ্যে তৃণমূল ও কংগ্রেসের মধ্যে আসন রফা হয়ে গিয়েছে! তৃণমূল সুপ্রিমো নাকি ইতিমধ্যে হাতশিবিরকে দুটি আসন ছাড়তে রাজি হয়ে গিয়েছেন বলে দাবি করলেন কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম। মালদহের নেতা, প্রয়াত গনি খান চৌধুরির ভাই আবু হাসেম চৌধুরিও (ডালু) আশাবাদী, তাঁর মালদহ দক্ষিণ ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরির বহরমপুর আসনে লড়ার সুযোগ পাবে কংগ্রেস। একধাপ এগিয়ে ডালুবাবুর দাবি, বিজেপির বিরুদ্ধে আসনরফা হয়ে গিয়েছে। বুধবার দিল্লির পর পাহাড়ের নেতারা দার্জিলিং আসনের রণকৌশল নিয়ে শিলিগুড়িতে জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে বৈঠকও হয়।

Advertisement

মালদহের কোতোয়ালিতে বসে জেলা কংগ্রেস সভাপতি, সাংসদ আবু হাসেমের কথায়, “মালদহ দক্ষিণ ও বহরমপুর আসনটি কংগ্রেসকে ছাড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা আরও কিছু আসন চেয়েছি। দীপা দাশমুন্সির রায়গঞ্জ, মালদহ উত্তর, মুর্শিদাবাদ আর পুরুলিয়ার নেপাল মাহাতোর আসন চাইছি। আশাকরি জোট নিয়ে সমস্যা হবে না। জোটের জন্য অপেক্ষায় রয়েছি। ৩০ ডিসেম্বর আলোচনার পরই সেটি হয়তো চূড়ান্ত হবে।” প্রবীণ সাংসদ ডালুবাবু বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলকে কংগ্রেসের জন্য কিছু আসন বাড়াতে হবে। বিজেপিকে পরাস্ত করতে ইন্ডিয়া জোটের প্রয়োজন আছে।” ডালুর মতে, “দু’টো আসন কংগ্রেসকে বাংলায় দিলে সমস্যার সমাধান হবে না। বহরমপুর আর দক্ষিণ মালদহ লোকসভা কেন্দ্র ছেড়ে দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু আমাদের সাতটি আসনের দাবি রয়েছে। নইলে এই আসনগুলিতে বিজেপি সুযোগ নিয়ে নেবে।”

[আরও পড়ুন: ‘দেশের সবচেয়ে অপদার্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’, অমিত শাহকে বেনজির আক্রমণ প্রিয়াঙ্ক খাড়গের]

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠকের পর ফিরেছেন সদ‌্য কংগ্রেসে যোগ দেওয়া বিনয় তামাং, হামরো পার্টির অজয় এডওয়ার্ড। তাঁরা না থাকলেও শিলিগুড়িতে দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি শংকর মালাকারের বাড়িতে পাহাড় থেকে এসে দুই নেতা বৈঠক করেন। পাহাড়ের রাজনীতিতে এখন নতুন সমীকরণ। বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসের দিকে জোট গড়তে পা বাড়িয়েছে হামরো পার্টি, জিএনএলএফ-সহ আরও কিছু আঞ্চলিক দল। এছাড়াও পাহাড়ের প্রচুর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কংগ্রেসকে সমর্থন করার জন্য সম্মতি জানিয়েছে। এদিন দুপুরে শংকর মালাকারের বাড়িতে এনিয়েই আলোচনা হয়। তবে দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটে কী হয় তার উপরেই সবকিছু নির্ভর করছে। কারণ জোট হলে আদৌ এই আসনে কংগ্রেস লড়তে পারবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

তবে দার্জিলিং জেলার কার্যকরী সভাপতি সরোজ খাতরি বলেন, ‘‘এবার আর বিজেপির পাশে কেউ নেই।’’ তাঁর সঙ্গে এদিন এসেছিলেন কালিম্পং জেলা কংগ্রেসের সভাপতি দিলীপ প্রধানও। তাঁর মন্তব‌্য, ‘‘বিজেপির ভাওতাবাজির রাজনীতি চাই না।” কিন্তু পাহাড় এই মুহুর্তে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা সুপ্রীমো অনিত থাপার দখলে। তিনি আবার তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আছে। তাই ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূল শামিল হলে পাহাড়ে কে লড়াই করবে তা তখনই ঠিক হবে। তাই যারা বলছে বিনয় তামাং কংগ্রেসের প্রার্থী তা ঠিক নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন শংকর মালাকার।

[আরও পড়ুন: নাইট ক্লাবে বচসার জেরে মহিলাকে গাড়ির চাকায় পিষে খুন! ভাইরাল হাড়হিম করা ভিডিও]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement