এসআইআর (Bengal SIR) শুরু হতেই রাজ্যের বাসিন্দারা আতঙ্কে কাঁটা। যাদের সমস্ত নথি রয়েছে তাঁরাও দেশছাড়া হওয়ার ভয় পাচ্ছেন। যাদের বৈধ নথি নেই, তাঁদের কার্যত ঘুম উড়েছে। এসবের মাঝে সিএএ (CAA)-তে আবেদন করে ভারতের নাগরিকত্ব পেলেন মালদহের সত্যরঞ্জন বারুই। শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তিতে ওই প্রৌঢ় ও তাঁর পরিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বললেন, "গুজবে কান দেবেন না।"
শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তিতে ওই প্রৌঢ় ও তাঁর পরিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বললেন, "গুজবে কান দেবেন না।"
জানা গিয়েছে, ওই প্রৌঢ়ের নাম সত্যরঞ্জন বারুই। তাঁর বাড়ি মালদহের হবিবপুর বিধানসভার বামনগোলা ব্লকের চাঁদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুলকিমারি গ্রামে। তবে আগে থাকতেন বাংলাদেশে। ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ১৯৮৮ সালে তিনি ওপারবাংলা থেকে ভারতে চলে আসেন। বেআইনি পথেই এসেছিলেন তিনি। কোনও বৈধ নথি ছাড়াই বছরের পর বছর বাংলায় থাকছিলেন তিনি। বাংলায় এসআইআর হতে পারে একথা শুনেই আতঙ্ক গ্রাস করে বারুই পরিবারকে। সকলের মাথায় ঘুরতে থাকে একটাই প্রশ্ন, এবার দেশ ছাড়তে হবে না তো?
ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে ১৯৮৮ সালে তিনি ওপারবাংলা থেকে ভারতে চলে আসেন। বেআইনি পথেই এসেছিলেন তিনি। কোনও বৈধ নথি ছাড়াই বছরের পর বছর বাংলায় থাকছিলেন তিনি।
এরপরই গত আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথায় আশ্বস্ত হয়ে সিএএ-তে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর হিয়ারিং হয়। অবশেষে হাতে পেয়েছেন শংসাপত্র। নথি হাতে পেয়েই প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য সিএএ নিয়ে যা উড়ো খবর পাওয়া যায় তাতে গুরুত্ব দেওয়ার কোনও কারণ নেই। সবটাই গুজব। এদিন হবিবপুরের বিজেপি বিধায়ক ছুটে যান সত্যরঞ্জন বারুইয়ের বাড়ি। ফুলের মালা পরিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানান। সত্যরঞ্জন বারুইয়ের মতো অন্যান্য উদ্বাস্তুদের সিএএ-তে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানান তিনি।
