রাজা দাস, বালুরঘাট: পাটখেত থেকে কঙ্কাল উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ দিনাজপুরে। স্থানীয়রা শনিবার সন্ধ্যায় ঘাস কাটতে গিয়েই কঙ্কালটিকে দেখতে পান। সঙ্গেসঙ্গেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের অনুমান, কঙ্কালটি পার্শ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বনাথ মার্ডির (৪৫)। গত ২৩ জুন থেকে তিনি নিখোঁজ। বহু জায়গায় খোঁজাখুঁজি চললেও তাঁর কোনও অনুসন্ধান পাননি বাড়ির লোকজন। তবে স্থানীয়দের এই তত্ত্ব মানতে নারাজ পুলিশ। কঙ্কাল পরীক্ষার পরই জানা যাবে সেটি বিশ্বনাথবাবুর নাকি আন্য কারোর। রবিবার কঙ্কালটি উদ্ধার করে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার তপন ব্লকের অন্তর্গত হরসুরা গ্রামপঞ্চায়েতের সোনা ডাঙা এলাকায়।
[৬০ ফুট উঁচু বিদ্যুতের পোল থেকে পড়ে জখম মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক]
জানা গিয়েছে, সোনাডাঙার প্রতিবেশী গ্রাম হল গুড়াইল। সেখানকারই ডুবাহার এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ মার্ডি। গতমাসের ২৩ তারিখে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোনাডাঙায় আসেন তিনি। এই গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়ির। বিয়ের দিন রাত থেকেই তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশী সবার বাড়িতেই খোঁজখবর করা হয়েছে। কিন্তু বেমালুম উবে গিয়েছেন তিনি। তপন থানায় এনিয়ে নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন বিশ্বনাথবাবুর পরিবার। তবে পুলিশে সেই অভিযোগের কিনারা করে উঠতে পারেনি।
[নদিয়ায় ট্যারান্টুলা আতঙ্কে কাঁটা সাধারণ মানুষ]
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের একপ্রান্তে অবস্থিত পাটখেতে ঘাস কাটতে যান স্থানীয়রা। তাঁরাই প্রথমে কহ্কালটিকে দেখতে পান। চেহারা দেখে মনে হয়েছে কঙ্কালটি পুরনো নয়। হয়তো খেতে পড়ে থাকার কারণেই জীবজন্তুই দেহটিকে খেয়ে ফেলেছে। কঙ্কালের পাশ থেকে পোশাকও উদ্ধার হয়েছে। সেই পোশাক দেখেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশ্বনাথ মার্ডির পরিবারের লোকজন। তাঁদের মতে এই কঙ্কাল বিশ্বনাথবাবুরই। তবে কি করে সেখানে মৃতদেহ এল বা বিশ্বনাথ মার্ডি বিয়ে বাড়িতে এসে সেখানেই বা কে গেলেন তা স্পষ্ট নয়। বিষয়টি স্বাভাবিক মৃত্যু না খুন তা কঙ্কাল পরীক্ষার আগে জানা যাবে না। স্থানীয়দের দাবি, ওই পাটখেতটি গ্রামের এরকপ্রান্তে। কেউ খুব প্রয়োজন না পড়লে সেদিকে যান না। এতদিন তাই দেহটি কারও নজরে আসেনি। তদন্তে নেমেছে তপন থানার পুলিশ।
The post পাটখেতে উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য তপনে appeared first on Sangbad Pratidin.
