shono
Advertisement
Debraj Chakraborty

অযোধ্যা পাহাড়ের হোটেলে গা ঢাকা দিয়েও হল না শেষরক্ষা, কীভাবে এসটিএফের জালে অদিতির স্বামী দেবরাজ?

বেঙ্গল এসটিএফ ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট যৌথভাবে হানা দিয়ে বুধবার পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।
Published By: Sayani SenPosted: 10:41 PM Jul 01, 2026Updated: 10:41 PM Jul 01, 2026

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকার হোটেলে কার্যত লুকিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বেঙ্গল এসটিএফ ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট যৌথভাবে হানা দিয়ে বুধবার পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামীর এই জেলার বাঘমুণ্ডি এবং অযোধ্যা পাহাড় এলাকায় যোগাযোগ ছিল। যোগাযোগ ছিল ওই এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে। সেই সূত্র ধরেই প্রযুক্তিগত সহায়তায় তাঁরা জানতে পারেন দেবরাজ অযোধ্যা পাহাড়তলি এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। তারপরেই পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ ও বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট রীতিমতো টিম বানিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। প্রাক্তন বিধায়কের স্বামীর বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ করেছিলেন কেষ্টপুরের প্রোমোটার অভিজিৎ সাহা। ধৃত দেবরাজ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। বিধাননগর এলাকায় সিন্ডিকেট চালানো, তোলাবাজি, জমির কারবার ছাড়াও ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলাতেও তিনি অভিযুক্ত। কলকাতা হাই কোর্ট প্রথমে দেবরাজকে রক্ষাকবচ দিলেও, দ্বিতীয়বার তিনি তা পাননি।

উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা দেবরাজ চক্রবর্তী। যুব তৃণমূল কর্মী হিসেই তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূচনা। ২০১৩ সালে পুরসভার উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন দেবরাজ। কিন্তু তৃণমূল তাঁকে টিকিট দেয়নি। ২০১৫-তেও মেলেনি টিকিট। তারপর কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। বিধাননগর পুরনিগম এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের টিকিটে লড়েন তিনি। জিতেওছিলেন। পরবর্তীতে ফিরে যান তৃণমূলে। বিয়ের পর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে রাজনীতিতে নিয়ে আসেন রাজনীতিতে। ২০২১ সালে রাজারহাট-গোপালপুর আসনে বিধায়ক হন তিনি। দেবরাজের বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত সম্পত্তি, তোলাবাজি-সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এমনকি দেবরাজ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দেবরাজ ও অদিতির বিরুদ্ধে তদন্ত করছিল বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট। রক্ষাকবচের আবেদন হাই কোর্ট খারিজ করে দেওয়ার পর থেকেই পুলিশ দেবরাজকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। এদিন গ্রেপ্তার করা হয় দেবরাজকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement