রথের ময়দানে বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত থাকবেন, কিন্তু কোনও ভাবেই ব্যবহার করা যাবে না দলীয় পতাকা বা রাজনৈতিক স্লোগান। রাজ্য নেতৃত্বের এই নির্দেশ ইতিমধ্যেই বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সমস্ত নেতৃত্ব ও কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে যাতে কোনও বিতর্ক না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, "রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ অনুযায়ী প্রত্যেক বিধায়ককে নিজের নিজের বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন রথযাত্রায় উপস্থিত থাকতে হবে এবং সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হবে। পাশাপাশি জেলার ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিতে আমন্ত্রণ পেলে বিধায়ক, বিভিন্ন স্তরের জন প্রতিনিধি, জেলা নেতৃত্ব ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারাও যোগ দেবেন। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্পষ্ট নির্দেশ, এই উপস্থিতি যেন কোনওভাবেই রাজনৈতিক কর্মসূচির রূপনা নেয়।"
জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলার যে পাঁচটি রথযাত্রা কমিটি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে অনুদান পেয়েছে, সেই প্রতিটি রথযাত্রাতেই দলের জেলাস্তরের হেভিওয়েট নেতারা আমন্ত্রণের ভিত্তিতে উপস্থিত থাকবেন। তবে সেখানেও একই নির্দেশ কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "রথযাত্রা আমাদের সনাতন সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। তাই প্রত্যেক কর্মী-সমর্থককে সনাতনী হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হবে। ধর্মীয় পতাকা ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু দলীয় পতাকা নয়। ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া যেতে পারে, তবে রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়া যাবে না।"
দলীয় সূত্রের দাবি, রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে যাতে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক না তৈরি হয়, সে কারণেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলার যে পাঁচটি রথযাত্রা কমিটি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে অনুদান পেয়েছে, সেই প্রতিটি রথযাত্রাতেই দলের জেলাস্তরের হেভিওয়েট নেতারা আমন্ত্রণের ভিত্তিতে উপস্থিত থাকবেন। তবে সেখানেও একই নির্দেশ কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রথ। তার আগেই নেতা-কর্মীদের বিজেপি নেতৃত্বের এহেন নির্দেশিকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
