বাংলার স্কুলেই যৌন হেনস্তার শিকার ছাত্র। পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) বেসরকারি স্কুলে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার শিকার প্রথম শ্রেণির পড়ুয়া। স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে। অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ছাত্রের পরিবারের লোকজন। তাঁদের অভিযোগের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার নিরাপত্তারক্ষী।
শিশুর মায়ের দাবি, ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার। ওইদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে খুদে জানায় তার সঙ্গে স্কুলে লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে। বাড়ি ফিরে সে জানায় এক নিরাপত্তারক্ষী স্কুলের শৌচালয়ে তাকে বন্ধ করে দেয়। সেখানে জোর করে নিরাপত্তারক্ষী মুখমেহন করায় বলেই অভিযোগ। এরপর খুদেরই এক বন্ধু শৌচালয়ের দরজা ধাক্কা দেয়। তাতেই রক্ষা পায় খুদে। ছেলের কাছ থেকে অভিযোগ শুনেই সোজা স্কুলে পৌঁছন অভিভাবকেরা। স্কুল কর্তৃপক্ষকে গোটা বিষয়টি জানান। প্রিন্সিপাল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলেই দাবি অভিভাবকদের।
খুদের মায়ের দাবি, "আমরা যখন অভিযোগ জানাই, প্রিন্সিপাল অভিযুক্তকে আড়াল করেছেন। পুলিশকে নিজে খবর দেননি। অন্যদেরও পুলিশকে জানাতে বাধা দেন। তিনি দাবি করেন, তাতে স্কুলের পঠনপাঠন ব্যাহত হবে।" তবে অন্যান্য অভিভাবকদের সমর্থনে স্কুলে এফআইআর দায়ের করেন ছাত্রের পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। প্রিন্সিপালের বরখাস্তের দাবি জানান নির্যাতিতর পরিবারের লোকজন। এই ঘটনায় পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, "স্কুলছাত্রকে হেনস্তার অভিযোগে আমরা এফআইআর করেছি। স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। তা খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্কুলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে অবশ্যই সর্বত্র সিসি ক্যামেরার বন্দোবস্ত করতে হবে। এছাড়া পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় স্কুলে সমস্ত ব্যবস্থাপনা করার কথা বলা হয়েছে।"
