বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার গাড়ি ভাঙচুর, স্ত্রীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল বনগাঁর গোপালনগর থানার বেলেডাঙা চারাতলা এলাকায়। ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ, স্থানীয়রা বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া গাড়ি দেখে গ্রামের মধ্যে দাঁড় করায়৷ এলাকায় কেন উন্নয়ন তিনি করছেন না? সেই প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেই প্রশ্নে গাড়ির মধ্যে থেকেই কটূক্তি ছুড়ে আসে বলে অভিযোগ। সেসময় গাড়ির ভেতর থেকে এক গ্রামবাসীর হাতে আঘাতও করা হয়েছিল!
এরপরেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন গ্রামবাসীদের একাংশ। গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। স্ত্রীর উপরও হামলা চলে! বিজেপি বিধায়কের গাড়িতে হামলার ঘটনার কথা দ্রুত ছড়িয়ে যান এলাকায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গিয়েছে, চারাতলা গ্রামে এদিন বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার স্ত্রী-সহ কয়েকজন একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। যে গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেই গাড়িতে অশোকবাবু ছিলেন না। গাড়িতে থাকা অশোকবাবুর এক কর্মী বলেন, "আমরা বলেছিলাম কোনও পার্টির অনুষ্ঠান নয়। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের একটি বাড়িতে এসেছি৷ তারপরেও আমাদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে গালিগালাজ করে গাড়ি ভাঙচুর করা হল৷"
অশোকবাবুর অভিযোগ, একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়েছিল আমার স্ত্রী-সহ কয়েকজন৷ তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনীরা আমার গাড়িতে আক্রমণ করে। গাড়িতে থাকা মহিলাদের পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করেছিল।" ইতিমধ্যে অশোক কীর্তনীয়ার স্ত্রী গোপালনগর থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। পাশাপাশি গ্রামের আহত এক যুবককে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য উৎপল সরকার বলেন, "গ্রামের লোকজন অশোকবাবুর গাড়ি দাঁড় করিয়ে বিজেপির কার্যকর্তাদের প্রশ্ন করে, কেন এলাকার উন্নয়ন করা হয়নি৷ উনি কেন ভোট পাখি হয়ে এলাকায় আসেন?" স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, "গাড়িতে থাকা এক ব্যক্তি এলাকার যুবক দিব্যেন্দু দেবনাথকে আঘাত করে। এরপরেই উত্তেজিত বাসিন্দারা গাড়িতে ভাঙচুর চালায়৷"
