সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ঝাড়গ্রাম। অভিযোগ, বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা পার্টি অফিস ঘিরে বোমাবাজি করে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা। মঙ্গলবার রাত বারোটা পর্যন্ত বিজেপির জেলা পার্টি অফিস ঘিরে চলে হামলা। কর্মীদের লক্ষ্য করে একের পর এক বোমা ছোড়া হয়। হামলার বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে আটকে পড়েন। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে জানানো হলেও পুলিশ উদ্ধার করার কোন চেষ্টা করেনি। ঘটনার জেরে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী।
[রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর, চলতি বছরেই বাড়তে পারে বেতন]
সূত্রের খবর, ক্লাবের মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার সূত্রপাত সোমবার রাতে। অভিযোগ শহরের বামদা এলাকার উদয়ন সংঘ ক্লাবে ওইদিন রাতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালিয়ে ক্লাবের সদস্য অঞ্জন রায়ের মাথা ফাটিয়ে দেয়। রাতেই ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। ক্লাবের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে দুই ঘন্টা বসিয়ে রেখেও আভিযোগ নেওয়া হয়নি। এমনটা দাবি করেছেন ক্লাবের সভাপতি অমলেন্দু পানি। ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ৩০ মে এই ক্লাবের সামনে বিজেপির সভা রয়েছে। তাই ক্লাবের উপর হামলা হয়েছে।
অন্য দিকে তৃণমূলের পালটা অভিযোগ, বিজেপি তাদের সভায় জোর করে লোকজন আনার জন্য পাড়ায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এই অভিযোগে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে রাতে শহরে বাইক মিছিল বের করা হয়। ওই ক্লাবের অভিযোগ বাইক মিছিল থেকে ক্লাবে হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়। ক্লাবের সদস্যরা হামলাকারিদের তাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ বিজেপির লোকজন মিছিলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে বেশ কিছু বাইক। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার রাতভর উত্তেজনা ছিল এলাকায়। এই ঘটনার পরেই রঘুনাথপুর এলাকায় বিজেপির জেলা পার্টি অফিসে রাতে তৃণমূল হামলা চালায় বলে অভিযোগ জানায় বিজেপি। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলেও দাবি বিজেপির।
[কাঁচা মাংসের লোভে খুনি হয়ে উঠেছে গেরস্তের এঁটো খাওয়া নেড়িরা]
The post রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ঝাড়গ্রাম, রাতভর বিজেপি কার্যালয়ে বোমাবাজি appeared first on Sangbad Pratidin.
