shono
Advertisement
Zubeen Garg

অসমের ফ্লাইওভারে জুবিনের ম্যুরালে চে-র ছায়া! ক্ষোভ উগরে দিলেন হিমন্ত

ইতিমধ্যেই মুছে দেওয়া হয়েছে সেই ছবি। হিমন্তর পরামর্শ, বিপ্লবীর ছবি আঁকতে হলে পরেশ বড়ুয়ার আঁকা ভালো।
Published By: Biswadip DeyPosted: 10:13 AM Jul 11, 2026Updated: 10:25 AM Jul 11, 2026

গত ১৯ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় জুবিন গর্গের। তাঁরই একটি ম্যুরাল ঘিরে বিতর্ক ঘনাল অসমে। সেটিকে অপসারণ করা হয়েছে। যদিও অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দাবি, তিনি এমন কোনও নির্দেশ দেননি। বরং তা যাঁরা মুছে দিয়েছেন, তাঁরা প্রকৃত অসমিয়া। সেই সঙ্গেই তাঁর ক্ষোভ, কেন চে গেভারার মতো বিপ্লবীর আদলে আঁকা হবে প্রয়াত শিল্পীকে। তাছাড়া যদি বিপ্লবীর ছবিই আঁকতে হয়, তাহলে আলফা প্রতিষ্ঠাতা পরেশ বড়ুয়ার আঁকা উচিত।

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত জুনেই গণেশশুড়িতে ফ্লাইওভারে জুবিনের ম্যুরালটি মুছে দেওয়া হয়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি অসমে আসার আগে বহু জায়গার সৌন্দর্যায়ন করা হয় নতুন করে রং করে। সেই সময়ই ওই ম্যুরালটি মুছে দেওয়া হয়। যদিও তাকাইচি শেষপর্যন্ত এই রাজ্যে আসেননি। তবে এরপর থেকেই বিতর্ক ঘনিয়েছে। কেন প্রয়াত শিল্পীর ম্যুরাল মুছে দেওয়া হবে তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার গণেশশুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এই নিয়ে মন্তব্য করেন হিমন্ত। জানান, এভাবে অন্যরকম করে জুবিনকে আঁকা যাবে না। কেবলমাত্র তাঁর স্ত্রীর মনোনয়ন পাওয়া ছবিই আঁকা যাবে। এদিকে, ওই ম্যুরালটি মুছে দিলেও একই শিল্পী সেখানে জুবিনের আরও একটি ছবি এঁকেছেন ইতিমধ্যেই। সেই ছবি নিয়ে অবশ্য কোনও আপত্তি নেই, কেননা সেখানে চে গেভারার ছায়া অদৃশ্য। এই প্রসঙ্গে হিমন্ত জানাচ্ছেন, ''থানায় দেওয়া জবানবন্দিতে ওই দুই চিত্রশিল্পী জানিয়েছেন, ম্যুরালটি দেখতে জুবিন গর্গের মতো না হওয়ায় তাঁরা সেটি মুছে ফেলেছিলেন। এঁরা কিন্তু কোনও মুসলিম বা বাংলাদেশি 'মিয়া' নন, বরং তাঁরা অসমিয়া চিত্রশিল্পী। যে ঠিকাদার কাজটি নিয়েছিলেন তিনিও একজন অসমিয়া। এবং তাঁরা তিনজনই জুবিনের ভক্ত।''

এরপরই হিমন্তকে বলতে শোনা যায়, ''আপনি যদি কোনও বিপ্লবীর ছবি আঁকতে চান, তবে পরেশ বড়ুয়ার ছবি আঁকুন। তিনি ৩০ বছর ধরে তাঁর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, তা ভালো না খারাপ, সেটা ভিন্ন বিষয়। তাঁকে পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়।" 

সিঙ্গাপুরে নর্থ-ইস্ট ফেস্টিভ্যালে যোগ দিতে গিয়ে স্কুবা ডাইভিংয়ে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় জুবিন গর্গের। বিদেশের মাটিতে অসমের ভূমিপুত্রের এহেন আকস্মিক প্রয়াণে অনেকেই ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়েছিলেন! তার ভিত্তিতেই পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নির্দেশে জুবিন গর্গের মৃত্যুতদন্তের জন্য ‘সিট’ গঠন করে অসম সরকার। অবশ্য সিঙ্গাপুর আদালত ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ খারিজ করে দেয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement