স্বাধীনতা দিবসের দিনে সৌহার্দ্যের ছবি পেট্রাপোল সীমান্তে। মিষ্টি বিলি ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে। গত কয়েকমাসে সীমান্তের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে হাসিনা ইস্যুতে দু'দেশের সম্পর্কে কিছুটা হলে অবনতি ঘটে। যদিও ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পথে। ভারতে আসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। এহেন পরিস্থিতিতে এদিন সকালে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে মিষ্টি বিতরণ হয়।
এদিন ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট এলাকায় পতাকা উত্তোলন করে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর এবং খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া৷
রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতোই এদিন পেট্রাপোল সীমান্তে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিএসএফের ১৭৮ নম্বর ব্যাটেলিয়নের পক্ষ থেকে পতাকা উত্তোলন করেন সেকেন্ড ইন কমান্ড শৈলেন্দ্র সিং। সেই অনুষ্ঠানেই এদিন বাংলাদেশের বিজিবি আধিকারিকের হাতে মিষ্টি তুলে দিয়ে সৌহার্দ্যের বার্তা দেন বিএসএফ আধিকারিকরা। এদিনের এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন ভারতীয় নাগরিকরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে বহু মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে সীমান্তে এসে এই বিশেষ দিনের সাক্ষী হন। পেট্রাপোল সীমান্ত এমনিতেই দুই দেশের মানুষের যাতায়াত ও যোগাযোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। স্বাধীনতা দিবসের দিন সেই সম্পর্কেরই অন্য একটি ছবি দেখা যায় সীমান্তে। রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক টানাপোড়নের বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের বার্তাই এদিন সামনে আসে।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তাও ছিল জোরদার। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নজর রাখে নিরাপত্তা বাহিনী। পাশাপাশি এদিন ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট এলাকায় পতাকা উত্তোলন করে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর এবং খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া৷
