জাতীয় সড়কের বার্ষিক ফাস্ট্যাগের ক্ষেত্রে আগামী ১ এপ্রিল থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে। বাড়ছে খরচ। ব্যক্তিগত চার চাকার গাড়ির জন্য ৩০০০ টাকার এই পাস নতুন আর্থিক বছর থেকে হবে ৩০৭৫ টাকা। একইসঙ্গে ওইদিন থেকেই জাতীয় সড়কের টোল প্লাজাগুলিতে সম্পূর্ণভাবে নগদ লেনদেন বন্ধ করা হবে। ফলে সমস্যায় পড়বেন বাসচালকরা।
বাস মালিকদের দাবি, তাদের কর্মীরা সকালে একবার টোল ফি দিয়ে সারাদিনের জন্য পাস নেয়। কিন্তু নতুন নির্দেশ কার্যকর হলে নগদ লেনদেন করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি চালকরা সবাই এর ব্যবহার জানেন না। একই সঙ্গে ফাস্ট্যাগ বা ইউপিআই ব্যবহারের ফলে টোলের খরচ বাড়বে, যা স্থানীয় রুটের বাস মালিকদের পক্ষে বহন করা খুবই কঠিন হবে। সমস্যা সমাধানের জন্য কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে।
প্রথমত রুট বাসগুলোকে ছাড়প্রাপ্ত শ্রেণিতে রাখা হোক ও আপাতত নগদ লেনদেন চালু রাখতে দেওয়া হোক। টোল ফি যেন না বাড়ানো হয় (ইউপিআই ব্যবহার করলে প্রায় ১.২৫% বেশি খরচ হবে)। যদি তা না করা হয় সেক্ষেত্রে ১ এপ্রিল থেকে তাদের সংগঠনের বাস টোল পার করবে না বলে জানিয়েছে, ওয়েস্ট বেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
পাশাপাশি সংগঠনের তরফে দাবি জানানো হয়েছে, অটো, টোটো, ভ্যান-সহ ধীরগতির যানবাহনগুলোকে জাতীয় সড়কে চলাচল বন্ধ করতে হবে। সার্ভিস রোডে ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনের পার্কিং বন্ধ, টোল প্লাজায় রুট বাসের জন্য আলাদা লেন রাখা-সহ আরও বেশ কিছু দাবি জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বোস বলেন, "টোলপ্লাজায় যদি নগদ লেনদেন বন্ধের এই নির্দেশ বহাল থাকে, তাহলে আমাদের কাছে রুট বাস পরিষেবা বন্ধ করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না। এতে বহু যাত্রী সমস্যায় পড়বেন ও পুরো পরিস্থিতির দায় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের উপর বর্তাবে।"
