shono
Advertisement
Basirhat

ওড়িশায় বাংলার ব্যবসায়ীকে 'অপহরণ', উধাও সাড়ে চার লক্ষ টাকা! অভিযোগ পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার

দুশ্চিন্তায় পরিবারের সদস্যরা।
Published By: Suhrid DasPosted: 03:28 PM Sep 13, 2025Updated: 03:28 PM Sep 13, 2025

গোবিন্দ রায়, বসিরহাট: ব্যবসার কাজে ওড়িশায় গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বাঙালি ব্যবসায়ী! তাঁর সঙ্গে সাড়ে চার লক্ষ টাকার বেশি ছিল বলে পরিবারের দাবি। তাঁকে অপহরণের অভিযোগ তুলেছে পরিবারের সদস্যরা।  ওড়িশা পুলিশের কাছে এই বিষয়ে পরিবারের লোকজন জানালেও কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন ওই ব্যবসায়ীর পরিবার। নিখোঁজ ওই ব্যবসায়ীর নাম আনারুল ইসলাম। বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার বাগজোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের হায়দারপুর গ্রামে।

Advertisement

পরিবার সূত্রে খবর, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাতটা নাগাদ ওড়িশার কটকের ছত্রবাজারে সবজির ব্যবসার বিষয়ে গিয়েছিলেন আনারুল ইসলাম। ব্যবসায়িক কাজকর্ম সেরে ৯ তারিখ তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তিনি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দুশ্চিন্তা ছড়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীকে ওড়িশায় অপহরণ করা হয়েছে। কিন্তু কে বা কারা অপহরণ করল? সেই প্রশ্নও উঠেছে। কোনওরকম সন্ধান না পেয়ে পরিবারের লোকজন বাদুড়িয়া থানায় যোগাযোগ করেন। থানা থেকে ওড়িশার কটকে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরিবারের সদস্যরা ওড়িশার কটকে গিয়ে সিংলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নিখোঁজ ব্যবসায়ীর পরিবারের তরফে অভিযোগ, ওড়িশা পুলিশ কোনওরকম সহযোগিতা করছে না। এখনও অবধি আনারুল ইসলাম সম্পর্কে কোনও খোঁজও দিতে পারেনি ওড়িশা পুলিশ!

এই অবস্থায় ক্রমশ দুশ্চিন্তা বাড়ছে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। ব্যবসায়ীর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দাবি, তাঁদের সন্তানকে যে কোনও মূল্যে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। জানা গিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে বাদুড়িয়া থানার পুলিশও। ব্যবসার উদ্দেশে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিয়ে ওই ব্যবসায়ী কি সত্যি অপহৃত হলেন? নাকি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • ব্যবসার কাজে ওড়িশায় গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বাঙালি ব্যবসায়ী!
  • তাঁর সঙ্গে সাড়ে চার লক্ষ টাকার বেশি ছিল বলে পরিবারের দাবি।
  • ওড়িশা পুলিশের কাছে এই বিষয়ে পরিবারের লোকজন জানালেও কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
Advertisement