সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: কলকাতার বাইরে রাজ্যে দুর্গাপুরে প্রথম স্বাস্থ্যসাথীতে ক্যানসারের চিকিৎসা। আর মুম্বই নয়, দুর্গাপুরেই সনকা হাসপাতালে পৃথক ক্যানসার ইনস্টিটিউট। বিদেশি ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ক্যান্সার চিকিৎসা মিলবে এবার সনকাতেই। পূর্ব ভারতে প্রথম ও দেশে চতুর্থতম ১৮০ স্লাইস ডিজিটাল পিইটি-সিটি মেশিন বসেছে সনকা হাসপাতালে। ক্যানসার চিকিৎসায় এই মেশিন অপরিহার্য। সার্জিক্যাল, মেডিক্যাল অঙ্কোলজি, পেইন ম্যানেজমেন্ট, পাল্লিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসা হবে এখানে। শুক্রবার বলি তারকা মহিমা চৌধুরীর হাতে উদ্বোধন হচ্ছে এই ক্যানসার ইনস্টিটিউটের।
২৫০ শয্যার এই ক্যানসার হাসপাতালে সব ধরনের ক্যানসারের চিকিৎসা হবে। কাঁকসার মলানদিঘিতে ‘শ্রী রামকৃষ্ণ ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স এন্ড সনকা হাসপাতাল’ ৭৫০ শয্যার সুপারস্পেশালিস্ট হাসপাতাল। এবার ২৫০ শয্যার ক্যানসার ইনস্টিটিউট গড়ে প্রান্তিক মানুষদের ক্যানসার চিকিৎসার জন্যে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে পরিষেবা।
[আরও পড়ুন: ‘যুগান্তকারী বদলের সময়’, সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ রাষ্ট্রপতির]
‘শ্রী রামকৃষ্ণ ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড সনকা হাসপাতালে’র সহ সভাপতি পার্থ পবি জানান, “কলকাতার বাইরে এই প্রথম এই ক্যানসার ইউনিট। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রের সাহায্যে ক্যানসার চিকিৎসা হবে। এই গুলো সবই গরিব ও মধ্যবিত্তের কীভাবে চিকিৎসা করা যায় সেই চিন্তা করেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প স্বাস্থ্যসাথীর একমাত্র নো রিফিউজাল হাসপাতাল। স্বাস্থ্যসাথীতে ক্যানসার চিকিৎসাও হবে এখানে। একটাও টাকা লাগবে না।”
সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক বোনাপার্ট চৌধুরী জানান,” ক্যানসারের সবধরনের চিকিৎসা মিলবে এখানে। আমাদের একমাত্র লক্ষ যাতে মানুষ এখানে চিকিৎসা করাতে এসে আর্থিক দুশ্চিন্তায় না পড়েন। সেই লক্ষ্যেই আমরা ক্যানসার ইউনিট করেছি।” মূল বর্হিবিভাগের পাশেই এই ক্যানসার ইউনিট। ৫০ জন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন এই নতুন ক্যানসার ইউনিটে। ক্যান্সার চিকিৎসক অভিজিৎ দাস জানান, ” উন্নতমানের ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সবধরনেরই ক্যানসারের চিকিৎসা মিলবে এই ইউনিটে।”
দেখুন ভিডিও:
