shono
Advertisement
Durgapur

দুই ইস্পাত কারখানার সংযুক্তি কেন্দ্রের, পালাবদলের বাংলায় বড় বিনিয়োগের বার্তা মোদির মন্ত্রীর

সোমবার দুর্গাপুর হাউসে 'স্টিল কনসাল্টিভ কমিটি'র বৈঠকে যোগ দেন ইস্পাত মন্ত্রী।
Published By: Kousik SinhaPosted: 10:00 AM Jul 14, 2026Updated: 10:00 AM Jul 14, 2026

পালাবদলের বাংলায় বিপুল বিনিয়োগের আশ্বাস কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রীর। রাজ্যে শিল্পখরা কাটাতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গত দু'মাসে দেশের একাধিক বড় শিল্পপতির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। বাংলায় বিনিয়োগের আশ্বাসও মিলেছে। এর মধ্যেই বাংলায় বিনিয়োগ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় ভারী ও ইস্পাত মন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী। তাঁর কথায়, বিদেশের উপর নির্ভর নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশেই ইস্পাত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৩০০ মেট্রিক টন। আর সেই লক্ষেই, মিশ্র ইস্পাত কারখানার বিলগ্নীকরণ থেকে পিছু হঠে রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্পাত সংস্থা সেইলের দুর্গাপুরের মিশ্র ইস্পাত কারখানা ও ডিএসপির সংযুক্তিকরণের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement

এরপরই মন্ত্রী বলেন, ''মিশ্র ইস্পাত কারখানার পুনর্জীবন নিয়েই উদ্যোগ শুরু হয়েছে। ডিএসপির সঙ্গে সংযুক্তিকরণ করার পরিকল্পনা আছে। তাহলে ২০৩০ সালে দেশে ইস্পাত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারবো আমরা।"

সোমবার দুর্গাপুর হাউসে 'স্টিল কনসাল্টিভ কমিটি'র বৈঠকে যোগ দেন ইস্পাত মন্ত্রী। একইসঙ্গে ইস্কো স্টিল প্লান্ট ও ডিএসপি পরিদর্শন করেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ভারী ও ইস্পাত রাষ্ট্রমন্ত্রী ভূপতিরাজু শ্রীনিবাস ভার্মা। লোক ও রাজ্য সভার ১৭ জন সংসদকে নিয়ে গঠিত এই কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ দোলা সেনও। ২০৩০ সালে দেশে বাৎসরিক ৩০০ মেট্রিক টন ইস্পাত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ডিএসপির বছরে উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র ২.২ মেট্রিক টন। তাও এই ক্ষমতার দেড় থেকে দুই বছর ধরে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন করে ডিএসপি। এই প্রসঙ্গে ইস্পাত মন্ত্রী জানান, " এটা একটা চ্যালেঞ্জ। ডিএসপির উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ৪.০৮ মেট্রিক টনে নিয়ে যেতে চাইছি আমরা। ইতিমধ্যেই ডিএসপির ভেতর এই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই কাজের শিলান্যাস করুক চাইবো আমরা।"

এরপরই তিনি বলেন, ''মিশ্র ইস্পাত কারখানার পুনর্জীবন নিয়েই উদ্যোগ শুরু হয়েছে। ডিএসপির সঙ্গে সংযুক্তিকরণ করার পরিকল্পনা আছে। তাহলে ২০৩০ সালে দেশে ইস্পাত উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারবো আমরা।" ইস্কো স্টিল প্লান্ট নিয়ে এদিন তিনি বলেন," ইস্কোর বছরে ৭ মেট্রিক টন ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে ৯ মেট্রিক টন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" ২০৩০ সালে যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে তাতে বেসরকারি ইস্পাত সংস্থা ও সেকেন্ডারি (স্ক্রাপ থেকে যারা ইস্পাত উৎপাদন করে) ইস্পাত উৎপাদক সংস্থার ৪৬ শতাংশ অবদান থাকবে বলেও জানান তিনি। সেইলের কারখানায় ক্রমাগত ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইস্পাত মন্ত্রী শ্রমিকের অধিকার ও সুরক্ষা নিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়ে যান সেইল কর্তৃপক্ষকে। তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ দোলা সেন জানান, ''মিশ্র ইস্পাত নিয়ে ১৮০০ কোটি টাকায় আধুনিকীকরণ ও সংযুক্তিকরণের যে প্রস্তাব আমরা দিয়েছিলাম তা কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রী মেনে নিয়েছেন।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement