সুমন করাতি, হুগলি: আলোর শহর চন্দননগর। আর এখানকার বিখ্যাত জগদ্ধাত্রী পুজোর (Jagadhatri Puja) কথা কে না জানে! আর চন্দননগরের (Chandannagar) জগদ্ধাত্রী পুজো শুধু তো এ রাজ্যেই নয়, জগদ্ধাত্রী পুজোর আলোকসজ্জার টানে বিদেশ থেকেও ছুটে আসে বহু মানুষ। আর এই উৎসবকে নিয়ে মেতে ওঠে হুগলি (Hooghly) জেলার মানুষ। লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় জমান চন্দননগরের বিখ্যাত জগদ্ধাত্রী প্রতিমা দর্শন করতে। এই পুজোকে কেন্দ্র করে সেজে ওঠে আলোর শহর চন্দননগর। জগদ্ধাত্রী পুজো এখনও অনেক দেরি। কিন্তু এখন থেকেই পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে পুজো উদ্যোক্তারা।

ভদ্রেশ্বর, মানকুণ্ডু, চন্দননগর – সব জায়গাতেই পুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন পুজো উদ্যোক্তারা। এখানকার পুজোর বিশেষ আকর্ষণ বিশাল বিশাল প্রতিমা (Idol)। আর প্রতিমার সৌন্দর্য। সঙ্গে অন্যতম চন্দননগরের বিখ্যাত আলোকসজ্জা (Lighting)। আর তাই কোনওদিক থেকে এই পুজোর জন্য কোনও খামতি রাখতে চান না পুজো উদ্যোক্তারা। এর মধ্যেই দেখা গেল চন্দননগরের বিখ্যাত জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে পুজো উদ্যোক্তারা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভদ্রেশ্বরের (Bhadreswar) গঞ্জের জগদ্ধাত্রী পুজো।
[আরও পড়ুন: কালীঘাটে তৃণমূলের পঞ্চায়েত বৈঠকের পরেই সুকান্তর সঙ্গে খোশ গল্প দেবের!]
এবার এই পুজো ২১৫ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে। এই জগদ্ধাত্রী পুজো খুব জাগ্রত বলে পরিচিত। তাই এই প্রতিমা দর্শন করতে ভিড় জমান বহু মানুষ। আর এবার সেই পুজোর প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে জোরকদমে। প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পী। এই পুজো কমিটির সম্পাদক দেবব্রত বিশ্বাস বলেন দুর্গাপুজো, কালীপুজো, তারপরেই জগদ্ধাত্রী পুজো। আর তাই সেই সময় শিল্পীদের উপর বেশি চাপ এসে পড়ে। সেই কারণে জগদ্ধাত্রী প্রতিমা তৈরিতে অনেক ক্ষেত্রে খামতি থেকে যায়। কিন্তু এই পুজো মানুষের কাছে একটা আবেগ। তাই প্রতিমা নির্মাণে কোনও খামতি রাখতে নারাজ শিল্পীরা। মানুষ জগদ্ধাত্রী প্রতিমার টানেই এখানে ভিড় জমান। আর যাতে কোনও কিছুতে কোনওভাবে ত্রুটি থেকে না যায়, তাই এত আগে থেকেই তাঁদের প্রস্তুতি শুরু করে দিতে হয়েছে। তাই ইতিমধ্যেই তাঁদের পুজোর প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে।
[আরও পড়ুন: আবারও ঈশ্বরভক্তি! লন্ডনে কীর্তন শুনতে গেলেন বিরাট-অনুষ্কা, ঝড়ের বেগে ভাইরাল ভিডিও]
দেখতে দেখতে দুর্গাপুজো (Durga Puja) এসে যাবে। তার কয়েকদিন পর বিখ্যাত এই জগদ্ধাত্রী পুজোরও সময় চলে আসবে। চন্দননগর ভরে উঠবে জনতার ভিড়। জমাবেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। তাই এখন থেকেই সাজসাজ রব ভদ্রেশ্বর, মানকুণ্ডু, চন্দননগরে।