shono
Advertisement
Malbazar

ভোটে ব্যস্ত একমাত্র শিক্ষক! তালা শিশু শিক্ষাকেন্দ্রে, পঠনপাঠন, মিড-ডে মিল বন্ধ ৩০ পড়ুয়ার

এলাকার অধিকাংশ পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ফলে এই স্কুলের মিড-ডে মিল ছিল শিশুদের পুষ্টির অন্যতম ভরসা। বর্তমানে স্কুল বন্ধ থাকায় তারা পড়াশোনা ও পুষ্টিকর খাবার—উভয় থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে।
Published By: Subhankar PatraPosted: 10:40 PM Apr 07, 2026Updated: 10:40 PM Apr 07, 2026

ভোটে ব্যস্ত একমাত্র শিক্ষক! প্রশাসনের নজর এড়িয়ে একমাস বন্ধ শিশু শিক্ষাকেন্দ্র। বন্ধ পঠনপাঠন। মিলছে না পুষ্টিকর মিড-ডে মিলও। বঞ্চিত ২৫-৩০ জন পড়ুয়া। মালবাজার মহকুমার ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের রায় পাড়া গ্রাম অন্তর্গত খোঁচা বস্তি শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ঘটনা। পঠনপাঠন বন্ধের কথা কার্যত মেনে নিয়েছেন মাল ব্লকের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সমিতি শিক্ষা আধিকারিক (ক্রান্তি) বহ্নিশিখা দাশগুপ্ত। কিন্তু তাঁর দাবি, মিড-ডে মিল চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কেন বন্ধ তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

Advertisement

স্কুল বন্ধ থাকার মূল সমস্যা শিক্ষকের অভাব। এক সময় এই স্কুলে তিনজন শিক্ষিকা কর্মরত ছিলেন। পর্যায়ক্রমে ২ শিক্ষিকা অবসর নেন। মাস দুয়েক আগে শেষ শিক্ষিকাও দায়িত্ব ছেড়ে দেন। এরপর কিছুদিন অন্য একটি স্কুল থেকে একজন শিক্ষিকাকে এনে পঠনপাঠন চালানো হচ্ছিল। কিন্তু গত এক মাস ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে স্কুলটি।

মঙ্গলবার স্কুলে গিয়ে দেখা গেল অফিস ঘর থেকে শুরু করে তিনটি শ্রেণিকক্ষ—সব কটির দরজায় ঝুলছে তালা। উল্লেখ্য, খোঁচা বস্তি এলাকার অধিকাংশ পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। ফলে এই স্কুলের মিড-ডে মিল ছিল শিশুদের পুষ্টির অন্যতম ভরসা। বর্তমানে স্কুল বন্ধ থাকায় তারা পড়াশোনা ও পুষ্টিকর খাবার—উভয় থেকেই বঞ্চিত হচ্ছে।

এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য গোপাল রায় এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত স্কুল চালুর দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, মাল ব্লকের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সমিতি শিক্ষা আধিকারিক (ক্রান্তি) বহ্নিশিখা দাশগুপ্ত সমস্যার কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, নির্বাচন ও অন্যান্য প্রশাসনিক কাজের চাপে বিষয়টি সাময়িকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। এছাড়াও বিডিও বদলির কারণে প্রশাসনিক কাজেও কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, "মিড-ডে মিল চালু রাখার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন তা বন্ধ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।" নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হলেই স্থায়ী সমিতির বৈঠক ডেকে নতুন শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এখন প্রশাসনের আশ্বাসের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে খোঁচা বস্তির প্রায় ৩০টি পরিবার ও পড়ুয়ারা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement