shono
Advertisement
Chiranjit Chakraborty

চোর অপবাদের ভয়! ত্রাণ সামগ্রী ফেরাতে রাজ্যের মন্ত্রীকে ফোন চিরঞ্জিতের

তৃণমূলের এই ভাঙনের মরশুমে চিরঞ্জিতের এই ফোন উসকে দিয়েছে দলবদলের জল্পনাও। 
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 02:37 PM Jun 09, 2026Updated: 06:30 PM Jun 09, 2026

পালাবদল হতেই চোর অপবাদে বিদ্ধ তৃণমূলের সবস্তরের নেতারা। 'ডিম হামলা'র ভয়ে ঘর থেকে বেরচ্ছেন না অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে ত্রাণ সামগ্রী ফেরাতে চেয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষকে ফোন করলেন প্রাক্তন তৃণমল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। নিজেই ফোন করার বিষয়টা স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন, "ত্রাণ সামগ্রী মানুষের প্রয়োজন। এগুলো জমিয়ে রেখে আমার তো কোনও লাভ নেই। এগুলো নতুন সরকারের হাতে তুলে দিতে চাই।" তৃণমূলের এই ভাঙনের মরশুমে চিরঞ্জিতের এই ফোন উসকে দিয়েছে দলবদলের জল্পনাও। 

Advertisement

রাজ্যের ক্ষমতা বিজেপির হাতে যেতেই জেলায় জেলায় তৃণমূলের কার্যালয়, গোডাউনে হানা দিচ্ছে আমজনতা-পুলিশ। উদ্ধার হচ্ছে মজুত করে রাখা বস্তা বস্তা ত্রাণ সামগ্রী। মিলছ ত্রিপল, পোশাক, সাইকেল-সহ নানা সামগ্রী। অভিযোগ, আমজনতার প্রাপ্য সামগ্রী মজুত করে বেআইনিভাবে অর্থের বিনিময়ে তা বিক্রি করা হত। যার জেরে চোর অপবাদ পেতে হচ্ছে নেতাদের। রাস্তায় বেরলেই 'ডিম হামলা' হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজিত জনতার হাতে রীতিমতো মার খেতে হচ্ছে দীর্ঘদিন দাপট দেখানো তৃণমূল নেতাদের। এদিকে তৃণমূল ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ায় নিচুস্তরের কর্মীরা কার্যত 'অভিভাবকহীন'। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার জানা যায়, রাজ্যের মন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। স্বাভাবিকভাবেই তাতে দলবদলের জল্পনা শুরু হয়। কারণ, বঙ্গ রাজনীতিতে এখন তৃণমূল ত্যাগের মরশুম। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের চারদশকের সঙ্গীদের কেউ কেউও তাঁর হাত ছেড়েছেন। সহযোদ্ধাদের 'বিদ্রোহে' পরিষদীয় দল, সংসদীয় দল এমনকী 'ছোট লালবাড়ি'র রাশও হাত ছাড়া হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের। 

তবে শংকর ঘোষকে ফোন করার কারণ নিজেই জানিয়েছেন চিরঞ্জিত। তিনি বলেন, "বেশ কিছু ত্রাণ সামগ্রী রয়ে গিয়েছে। এগুলোর মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিস। এখন নতুন সরকার ক্ষমতায়। আমার হাতে তো দায়িত্ব নেই। সেগুলো কীভাবে হস্তান্তর করা হবে তা জানতেই ফোন করেছিলাম। তবে উনি ফোন ধরেননি। সেক্ষেত্রে আমি জেলাশাসককেও সামগ্রী বুঝিয়ে দিতে পারি।" এপ্রসঙ্গে বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এতদিন পরে কেন ত্রাণ ফেরত দেওয়া হচ্ছে? কত ত্রাণ নেওয়া হয়েছিল, কোন দপ্তর থেকে নেওয়া হয়েছিল, কত বণ্টন হয়েছে আর কত বাকি রয়েছে, সে সম্পর্কে কিছুই জানি না। এভাবে ত্রাণ ফেরত দেওয়ার নিয়ম আছে কি না, সেটাও দেখতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরকেই জানাতে হবে।” 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement