shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

বাম আমলে অধিগ্রহণ করা জমিতে এবার শিল্প! শুভেন্দুর মন্ত্রীর ঘোষণায় আশায় বুঁদ কাটোয়াবাসী

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই শিল্প-খরা কাটাতে একাধিক পরিকল্পনা করেছে নতুন বিজেপি সরকার।
Published By: Kousik SinhaPosted: 06:32 PM Jul 08, 2026Updated: 07:00 PM Jul 08, 2026

পূর্ব বর্ধমান জেলায় কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং ফুড প্রসেসিং শিল্প স্থাপনকে গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এবার কাটোয়ায় চালু না হওয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জমিতে নয়া শিল্প স্থাপনের সম্ভাবনার কথা জানালেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী। কাটোয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৬০০ একর জমিতে বড় শিল্প স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। ডবল ইঞ্জিন সরকারের এই উদ্যোগে নতুন করে আশার আলো দেখছে কাটোয়া তথা পূর্ব বর্ধমান জেলাবাসী।

Advertisement

মন্ত্রী বলেন, "শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্য সরকার শিল্পে, কৃষিতে অগ্রগতি, উন্নয়নে কাজ করছে। ধীরে ধীরে সবাই জানতে পারবেন কাটোয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জমিতে কী হতে চলেছে। তবে বলতে পারি সেখানে একটা ভালো শিল্প আসতে চলেছে।" 

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই শিল্প-খরা কাটাতে একাধিক পরিকল্পনা করেছে নতুন বিজেপি সরকার। টাটা-আদানির মতো দেশের সংস্থাগুলির সহযোগিতায় নতুন শিল্প তৈরির নীল নকশা তৈরি হচ্ছে বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এমনকী রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ, লাল ফিতের জট কাটানো, দক্ষ কারিগর-সহ নানা ইতিবাচক দিক তুলে ধরে বিনিয়োগ টানতে তৎপর রাজ্য সরকার। এরমধ্যেই বড় ঘোষণা শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের। তিনি জানান, বর্তমানে জমিটি এনটিপিসির অধীনে রয়েছে। এনটিপিসি সরাসরি রাজ্য সরকার বা তাঁর দপ্তরের অধীনে নয়। যেহেতু রাজ্য ডবল ইঞ্জিন সরকার রয়েছে তাই সেখানকার ৬০০ একর জমি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র।

মন্ত্রী বলেন, "শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্য সরকার শিল্পে, কৃষিতে অগ্রগতি, উন্নয়নে কাজ করছে। ধীরে ধীরে সবাই জানতে পারবেন কাটোয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জমিতে কী হতে চলেছে। তবে বলতে পারি সেখানে একটা ভালো শিল্প আসতে চলেছে।" বাম আমলে কাটোয়ায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ২০০৬ সালে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। প্রায় ৬০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। প্রথমে ঠিক ছিল রাজ্য সরকারের পিডিসিএল বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সেখানে। কিন্তু এক্ষেত্রে আরও জমির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আন্দোলনের জেরে থমকে যায় কাজ।

২০১০ সালে তৎকালীন রাজ্য সরকার জমিটি এনটিপিসি-কে হস্তান্তর করে সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার আহ্বান জানায়। তৃণমূল জমানায় রাজ্য সরকার এনটিপিসিকে আরও ১০০ একর জমি অধিগ্রহণ করে দেয়। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়তে আরও জমির প্রয়োজন থাকায় রাজ্য সরকার এনটিপিসিকে সরাসরি বাজার থেকে জমি কেনার পরামর্শ দেয়। এনটিপিসি প্রয়োজনীয় জমি কিনেও নেয়। কিন্তু আচমকা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ার কাজ থেকে পিছিয়ে যায় এনটিপিসি। এরপর থেকেই ফাঁকাই পড়ে রয়েছে ওই জমি। বর্তমানে গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছিল। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে কাটোয়া ও সংলগ্ন এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেছিলেন বাসিন্দারা। কিন্তু তা অধরাই থেকে যায়! রাজ্যে ফের পালাবদল হয়েছে। নতুন সরকার ফের মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবের রূপ দিতে চাইছে। রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী নয়া শিল্প সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেওয়ায় আশান্বিত কাটোয়া।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement