shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

'মমতার নির্দেশে ভুয়ো বার্থ সার্টিফিকেট', জন্ম কেলেঙ্কারিতে যুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

হুগলির গুপ্তিপাড়ায় রথের অনুষ্ঠান দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Published By: Sayani SenPosted: 08:00 PM Jul 23, 2026Updated: 08:24 PM Jul 23, 2026

অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিক প্রমাণে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে সঙ্গত করেছিল তৃণমূলের ভোটকৌশলী সংস্থা আইপ্যাক। হুগলির গুপ্তিপাড়ায় রথের অনুষ্ঠান দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

Advertisement

জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র নিয়ে কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কলকাতা-সহ দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত, পুরসভা-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় হানা দেন তদন্তকারীরা। রেজিস্টার, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র খতিয়ে দেখতে সংগ্রহ করে পুলিশ।

এদিন তিনি বলেন, "এসআইআরের সময় অবৈধভাবে জন্ম সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। আইপ্যাকের ছোঁড়াগুলোকে বসিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নির্দেশে যেভাবে অবৈধ বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে তাতে রাজ্যের ও দেশের সুরক্ষায় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিয়েছে। তাই আমরা যত রেকর্ড ছিল বাজেয়াপ্ত করলাম। পুলিশের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য ব্যবস্থা করে স্ক্যান করে সিল করে ফেরত দেওয়া হবে। আজকের পর ওখানে আর কোনও কলম, কালি লাগানোর থাকবে না। এটা একটা বড় দুর্নীতি। শরণার্থীদের নামে যাঁদের সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে সিএএ-তে অনুমোদিত, তাঁদের কিছু করব না। আর যারা অনুপ্রবেশকারী তাদের তাড়াব। তাদের যারা সার্টিফিকেট দিয়েছে প্রথমে বিভাগীয় তদন্ত হবে। সাসপেন্ড হবে। এবং জেলে যাবে। তাদের বলতে হবে যাকে নিয়ে করেছে তার নামও।"

এদিকে, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র নিয়ে কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কলকাতা-সহ দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত, পুরসভা-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় হানা দেন তদন্তকারীরা। রেজিস্টার, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র খতিয়ে দেখতে সংগ্রহ করে পুলিশ। তল্লাশি অভিযানের মাঝেই মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, এবার থেকে জন্ম, মৃত্যুর শংসাপত্র আর দিতে পারবেন না পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুরপ্রধানরা। সরাসরি সরকারি আধিকারিকেরা তা দিতে পারবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement