shono
Advertisement

Breaking News

Congress

জীর্ণ দশাতেও কোন্দলে জর্জরিত কংগ্রেস! কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের সামনে মার খেলেন জেলা সভাপতি

বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর অভিযোগ, আলম দেওয়ান সকলকে নিয়ে চলতে পারছেন না। দলের এই সংগঠন সৃজন অনুষ্ঠানের কথা উনি সকলকে জানাননি।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:26 PM Aug 16, 2026Updated: 04:26 PM Aug 16, 2026

কংগ্রেসের সংগঠন সৃজন অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময়ই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কে পি শ্রীকুমারের সামনেই হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতির সঙ্গে ঝামেলায় জড়ালেন কংগ্রেসের একাংশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনকী একে অপরকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। যা নিয়ে চরমে ওঠে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ কে পি শ্রীকুমার। কর্মীদের শৃঙ্খলাপরায়ন হওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি কংগ্রেস নেতার।

Advertisement

গোষ্ঠীকোন্দল মেটাতে ময়দানে নামেন শ্রীকুমার। প্রত্যেক কর্মীর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন তিনি। এমনকী দিল্লির নেতৃত্বকে নেতাকর্মীদের মতামত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় এই পর্যবেক্ষক।

সংগঠন বৃদ্ধি, নেতৃত্ব তুলে আনা-সহ নানা বিষয়ে দলীয় উন্নতি এই সংগঠন সৃজনের উদ্দেশ্য। হাওড়ার গ্রামীণ এলাকার কংগ্রেসের কার্যালয় উলুবেড়িয়ার অবনী বসু ভবনে দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ওই কর্মসূচি চলছিল রবিবার দুপুরে। উপস্থিত ছিলেন কেরালার কংগ্রেস নেতা তথা কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কে পি শ্রীকুমার। ছিলেন হাওড়ার গ্রামীণ জেলার কংগ্রেসের সভাপতি আলম দেওয়ান-সহ কয়েকজন নেত্রীবৃন্দ। অভিযোগ, সেই সময় একদল বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক পার্টি অফিসের মধ্যে ঢুকে পড়েন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনেই শুরু হয় বচসা। অভিযোগ, সেখান থেকে শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি, ধস্তাধস্তি। জামা কাপড় ছিঁড়ে যায় আলম দেওয়ানের। শেষমেষ নেতৃত্বদের প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে যান কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

তবে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়েই কে পি শ্রীকুমার বলেন, ''এটা রাজনৈতিক দলের হয়ে থাকে। দলীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মধ্যে এটা একটা বিষয়। তবে কর্মীদের উচিত আরও শৃঙ্খলাপরায়ন হওয়া। না হলে বড় নেতৃত্বে জায়গায় আসে যাবে না। কর্মীরা সুশৃঙ্খল না হলে সংগঠন শক্তিশালী হবে না। আসলে দলে এখন অনেক মানুষ আসছে। স্বাভাবিকভাবে একটা বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। ওটা ঠিক হয়ে যাবে।" এরপরেই গোষ্ঠীকোন্দল মেটাতে ময়দানে নামেন শ্রীকুমার। প্রত্যেক কর্মীর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন তিনি। এমনকী দিল্লির নেতৃত্বকে নেতাকর্মীদের মতামত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় এই পর্যবেক্ষক। কিন্তু কেন এই ঘটনা?

বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর অভিযোগ, আলম দেওয়ান সকলকে নিয়ে চলতে পারছেন না। দলের এই সংগঠন সৃজন অনুষ্ঠানের কথা উনি সকলকে জানাননি। নিজের গোষ্ঠীর কিছু লোককেও বিষয়টি জানানো হয়েছিল। আর তাঁদেরকে নিয়েই এই বৈঠক করা হয়েছে বলেও অভিযোগ বিদ্রোহী শিবিরের। বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর লোকেদের বক্তব্য জেলা সভাপতি পদত্যাগ করুক বা ওকে দল সরিয়ে দিক। এ ব্যাপারে হাওড়ার গ্রামীন এলাকার কংগ্রেস সভাপতি আলম দেওয়ানকে ফোন করা হলে উনি ফোন ধরেননি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement