ডোমকলে ফের উড়ল লাল আবির ও লাল ঝান্ডা। বিধানসভা নির্বাচনেই শূন্যের গেড়ো কাটার পর এবার সমবায় সমিতির ভোটেও জয়জয়কার বামেদের। সমবায় সমিতির নির্বাচনে সিপিআইএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিমূখী লড়াইয়ে জয় পেয়েছে তারা। সিপিআইএম বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রানা বিজয় মিছিলে উপস্থিত হয়ে জানান, রাজ্যে বিকল্প শক্তি হিসেবে সিপিআইএমকেই বেছে নিচ্ছেন মানুষ। যদিও কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূলের একাংশ গোপনে সিপিএমকে সমর্থন করায় এই ফলাফল হয়েছে।
ডোমকলের হেররামপুর বানিয়াখালি সমবায় সমিতিতে আটটি আসন আছে। রবিবার এই সমবায় সমিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এদিন সকাল থেকে নির্বাচন উপলক্ষে এলাকায় ছিল সাজ সাজ রব। শান্তিপূর্ণভাবেই নির্বাচন সংঘটিত হয়। এরপর ভোট গণনায় দেখায় যায়, আটটির মধ্যে আটটি আসনেই সিপিআইএম প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। দলের একতফা জয়ে উচ্ছাসে ফেটে পড়েন সিপিআইএম কর্মী সমর্থকেরা। ভোট গণনা শেষে নাজিরপুরে পৌছন ডোমকলের বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রানা। উচ্ছসিত কর্মী সমর্থকদের কথায় জয়ী সদস্যদের নিয়ে নাজিরপুর বাজারে বিজয় মিছিল করেন তিনি। জানা গিয়েছে, ওই সমিতিতে শেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৬ সালে। তখন কংগ্রেসের দখলে যায় সমবায় সমিতি। একদশক পর হওয়া নির্বাচনে কংগ্রেস, তৃণমূলকে পিছনে ফেলে জয় পেল সিপিআইএম।
পরে বাম বিধায়ক বলেন, "সমবায় সমিতির এই জয় আগামী দিনে রাজ্যে বার্তা যাবে, বিকল্প শক্তি হিসেবে সিপিআইএমকেই বেছে নিচ্ছেন মানুষ।" তিনি আরও বলেন, "আগামী দিনে ডোমকলের মানুষ রাজ্যকে বিকল্প রাস্তা দেখাবে।" অন্যদিকে, ডোমকলের কংগ্রেস নেতা রেজাউল করিমের অভিযোগ, "দলের মধ্যে ঐক্য না থাকায় তৃণমূলের একটি অংশ গোপনে সিপিআইএমকে সমর্থন করেছে। সেই কারণেই এই রেজাল্ট হয়েছে।"
