যত সময় যাচ্ছে, প্রাক্তন শাসকদলের কোন্দল ক্রমশ চড়ছে। ২১ জুলাইয়ের প্রাক্কালে সেই ভাঙন আরও চওড়া হচ্ছে। 'কালীঘাট' তৃণমূল ও 'আসল' তৃণমূলের কাদা ছোড়াছুড়ি অব্যাহত। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। রবিবার রাতে ফেসবুক লাইভ অভিষেককে 'তুই' সম্বোধন করে হুঁশিয়ারি দিলেন। সতর্কবার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। সেই ভাষা রীতিমতো ঝাঁজাল।
ফেসবুক লাইভে অভিষেকের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, আমাকে ধমকে-চমকে লাভ নেই। ডায়মন্ড হারবার মডেল দিয়ে আর যাকেই চমকাস, আমাকে চমকাস না। লাভ হবে না। আমি ওসবে ভয় পাই না। দালাল বলা হচ্ছে? এই মদন মিত্রই শুধু দালালি করেনি কারও। পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি ঝাঁপিয়ে যে লড়েছে, তার নাম মদন মিত্র। ২৭ মাস জেলে থেকে বেরিয়ে এসেও আমি তিনগুণ ভোটে জিতেছি।''
ফেসবুক লাইভে অভিষেকের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি, আমাকে ধমকে-চমকে লাভ নেই। ডায়মন্ড হারবার মডেল দিয়ে আর যাকেই চমকাস, আমাকে চমকাস না। লাভ হবে না। আমি ওসবে ভয় পাই না। দালাল বলা হচ্ছে? এই মদন মিত্রই শুধু দালালি করেনি কারও। পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি ঝাঁপিয়ে যে লড়েছে, তার নাম মদন মিত্র। ২৭ মাস জেলে থেকে বেরিয়ে এসেও আমি তিনগুণ ভোটে জিতেছি।''
সদ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে ভিড়েছেন মদন মিত্র। যদিও এই বদল তাঁর কাছে কিছুই নয়। গত সপ্তাহে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে বসে হাসিমুখে বলেছিলেন, ''শুধু ও ঘর থেকে এ ঘরে এলাম।'' সেভাবে কালীঘাট তৃণমূলের বিরুদ্ধে তেমন আক্রমণ শোনা যায়নি তাঁর মুখে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনিও রীতিমতো 'ফোঁস' করেছেন। রবিবার ফেসবুক লাইভে অভিষেককে 'খুনি' বলতেও পিছপা হননি মদন মিত্র। কড়া ভাষায় তাঁর অভিযোগ, ‘‘অভিষেক তো খুনি, সুপারি কিলার দিয়ে খুন করায়। ক্রিমিনাল মাইন্ডেড। আবার আমাকে চমকাচ্ছে!''
২১ জুলাই দুই শিবিরের দুই কর্মসূচি নিয়ে মমতাকে সতর্ক করে দিয়েছেন। মদন বলেন, ‘‘২১ জুলাই দুই শিবির দুটো মিছিল বের করবে। মনে রাখবেন, আপনাদের যেখানে সভা, সেটা চিফ মিনিস্টারের এলাকা। ওখানে যদি ২১ তারিখ সকাল থেকে বেশি বাড়াবাড়ি করেন, তাহলে গোলাগুলি চলতে পারে। বি কেয়ারফুল।''
শুধু অভিষেককেই নয়, ফেসবুক লাইভে মদনের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। যদিও দলনেত্রী বরাবর তাঁর সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করেছেন, তা উল্লেখ করেও ২১ জুলাই দুই শিবিরের দুই কর্মসূচি নিয়ে মমতাকে সতর্ক করে দিয়েছেন। মদন বলেন, ‘‘২১ জুলাই দুই শিবির দুটো মিছিল বের করবে। মনে রাখবেন, আপনাদের যেখানে সভা, সেটা চিফ মিনিস্টারের এলাকা। ওখানে যদি ২১ তারিখ সকাল থেকে বেশি বাড়াবাড়ি করেন, তাহলে গোলাগুলি চলতে পারে। বি কেয়ারফুল।''
