নিরুফা খাতুন: ‘মোকা’র পর এবার ‘তেজ’। ফের নতুন ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclonic Storm) পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দপ্তর। আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে জোড়া ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। বিশ্বের আবহাওয়া মডেল অনুযায়ী, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপকূল বরাবর ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। তার নামকরণ করেছে ভারত (India)। নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে ‘তেজ’। তবে এ বিষয়ে বিশেষ কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি মৌসম ভবন বা আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে।

বিশ্বের আবহাওয়া মডেল অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে জোড়া ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। ৮ থেকে ১০ জুনের মধ্যে উপকূল বরাবর তৈরি হওয়া নিম্নচাপ (Depression) ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তেজ’-এ পরিণত হবে।তবে ‘তেজ’-এর কতটা প্রভাব বাংলায় পড়বে, তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে ৪ জুন অর্থাৎ রবিবারের মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে খবর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। এর আগে ‘মোকা’ ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছিল বাংলাদেশের (Bangladesh) উপকূলীয় এলাকায়। বঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় তার দাপট দেখানোর পূর্বাভাস থাকায় আগাম সতর্কতা অবলম্বন করেছিল প্রশাসন। দিঘা ও সুন্দরবন এলাকায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় মাইকিং, পর্যটকদের সমুদ্র থেকে সরিয়ে দেওয়া-সহ একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তেমন দাপট দেখাতে পারেনি ‘মোকা’।
[আরও পড়ুন: ২৩ বছর পার, বাম আমলে নেওয়া জমি ফেরত চায় কলকাতা পুরসভা]
এবার ‘তেজ’ কতটা তেজ দেখায়, তা জানতে আগ্রহী সকলেই। নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। আগামী সপ্তাহের গোড়াতেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। যদিও তার আগে পর্যন্ত বাংলায় ফের তাপপ্রবাহ চলবে। কলকাতার তাপমাত্রা গড়ে ২ ডিগ্রি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। শুষ্ক ও উষ্ণ হাওয়া চলবে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। লু-এর পরিস্থিতি থাকবে রাঢ়বাংলার জেলাগুলিতে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।