দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: এবার খোদ পুরসভাই যেন ডেঙ্গুর আঁতুরঘর৷ আর ডেঙ্গু আতঙ্কের জেরে ঠিকঠাক কাজে মন দিতে পারছেন না পুরসভার কর্মীরাই৷ চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার কেন্দ্রস্থল খোদ হুগলির চুঁচুড়া পুরসভা৷
[ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব লক্ষাধিক টাকা, ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার ২ যুবক]
বর্ষার আগে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজ্য সরকার বিভিন্ন জেলা প্রশাসনকে সজাগ থাকতে নির্দেশ দিয়েছে৷ কিন্তু, নির্দেশ থাকা সত্বেও হুঁশ ফেরেনি হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার৷ আর পুরসভার অভ্যন্তরেই মশা লাফিয়ে লাফিয়ে বংশ বিস্তার করে চলেছে৷ পুরকর্মীরা তো পুরো বিষয়টি চাক্ষুষ দেখে তাদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়৷ ইতিমধ্যে পুর এলাকাকে গ্রিন সিটি করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গায় কাজ শুরু হয়েছে৷ আর তার জন্য পুর এলাকাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য পুরনো দিনের ভেপার ল্যাম্পের পরিবর্তে এলইডি ল্যাম্প লাগানোর কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। আর সে কারণে ভেপার ল্যাম্পের ঢাকনাগুলি খুলে পুরসভার মধ্যেই এক জায়গায় জড়ো করে রাখা হয়েছে। আর এই ভেপার ল্যাম্পের ঢাকনাগুলিই হয়ে উঠেছে মশার আঁতুরঘর৷ সম্প্রতি, বর্ষার জল জমা হয়েছে ভেপার ল্যাম্পের উল্টানো ঢাকনাগুলিতে৷ আর সেই জমা জলের মধ্যেই জন্ম নিচ্ছে মশার লার্ভা৷ ফলে, শহরে লাফিয়ে বাড়ছে মশার সংখ্যা৷
[জমি নিয়ে বিবাদ, স্বাধীনতা সংগ্রামীর মূর্তিতে মালা দিতে দিলেন না গ্রামবাসীরা]
বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যেই এ নিয়ে সরব হতে চলেছেন। আতঙ্কিত পুরকর্মীরা জানান, এখন তো কাজ করাও বিপদ। মশার ভয়ে কাজে ঠিকমতো মন বসাতে পারছেন না। এ বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান গৌরীকান্ত মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিষয়টি তার জানা নেই৷ যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে তবে অবশ্যই তিনি ব্যবস্থা নেবেন৷ এমনিতেই, বর্ষা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মশা বাহিত রোগের প্রভাব বৃদ্ধি পায়৷ ফলে, বর্ষা ঢোকার মুখে যদি পুর এলাকায় পর্যপ্ত প্রচার চালানো যায় তাহলে, কিছুটা হলেও কমতে পারে ডেঙ্গু আতঙ্ক৷
The post ডেঙ্গুর আঁতুরঘর খোদ পুরসভা, আতঙ্কে কর্মীরা appeared first on Sangbad Pratidin.
