shono
Advertisement
Dilip Ghosh

কাজ ঢের, কর্মী কম, 'আবাস যোজনা'য় সমীক্ষার মেয়াদ ১৫ দিন বাড়ালেন মন্ত্রী দিলীপ

১৫ আগস্ট সমীক্ষার কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বাড়তি সময়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষা করা হবে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 04:19 PM Aug 13, 2026Updated: 04:40 PM Aug 13, 2026

'পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনা'য় সমীক্ষার (Awas Yojona Survey) মেয়াদ বাড়ল আরও ১৫ দিন। এবার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে সার্ভের কাজ সম্পূর্ণ করতে জোর দিচ্ছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তর। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে একথা জানান মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। একইসঙ্গে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে অযোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করে টাকা ফেরত আনার প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানান তিনি। এদিন দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান, আগে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আবাস যোজনার সার্ভের সময়সীমা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আরও ১৫ দিন সময় বাড়ানো হয়েছে।

Advertisement

প্রবল বৃষ্টি, তুমুল দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। একইসঙ্গে চলছে একাধিক কাজ। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত দপ্তরে ১১ হাজারেরও বেশি কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। সেই কারণে সমীক্ষার কাজে কিছুটা দেরি হয়েছে। তাই সমীক্ষার জন্য আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে দেওয়া হল। প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে সঠিকভাবে কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। যেসব বাড়িতে এখনও সার্ভেকর্মীরা পৌঁছতে পারেননি কিংবা কোনও কারণে সার্ভে করা সম্ভব হয়নি, তাঁদের নাম ও ঠিকানা ইমেলে জানালে সেখানে কর্মী পাঠিয়ে সার্ভের ব্যবস্থা করা হবে বলে।

প্রবল বৃষ্টি, তুমুল দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। একইসঙ্গে চলছে একাধিক কাজ। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত দপ্তরে ১১ হাজারেরও বেশি কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। সেই কারণে সমীক্ষার কাজে কিছুটা দেরি হয়েছে। তাই সমীক্ষার জন্য আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে দেওয়া হল। প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে সঠিকভাবে কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। যেসব বাড়িতে এখনও সার্ভেকর্মীরা পৌঁছতে পারেননি কিংবা কোনও কারণে সার্ভে করা সম্ভব হয়নি, তাঁদের নাম ও ঠিকানা ইমেলে জানালে সেখানে কর্মী পাঠিয়ে সার্ভের ব্যবস্থা করা হবে বলে।

এদিন পূর্বতন সরকারের 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্পের হিসেব তুলে ধরে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘পুরনো পর্যায়ে প্রায় ৩০ লক্ষ বাড়ির জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে সেই উপভোক্তারা আদৌ যোগ্য কি না, তা ফের খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি প্রায় ১৮ লক্ষ বাড়ির কাজ এখনও বাকি রয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ লক্ষ ২০ হাজার উপভোক্তার কাছে টাকা পাঠানো হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের তালিকায় প্রায় সাড়ে ১২ হাজার নাম ফলস বা অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাঁদের টাকা ফেরতের জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় এক হাজার জন টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকিদের কাছ থেকেও টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া চলবে। কেন্দ্রীয় দলের পরিদর্শন ও রিপোর্টের পর বন্ধ থাকা কাজ ফের চালু হয়েছে। তবে কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের ১০ শতাংশ পঞ্চায়েতে বিশেষ অডিট চলছে। আবাস ও ১০০ দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথাও গণ্ডগোল ধরা পড়লে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা আবাস যোজনার নামে গরিব মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেছে তারা কেউ রেহাই পাবে না।" পাশাপাশি ১২৫ দিনের কাজ ও আবাস যোজনার কাজ কোন গতিতে এগোচ্ছে, সেই নিয়ে দুই জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়। একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement