জন্মদিনের দিনই আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী! সেবকের করোনেশন সেতুর নিচ থেকে উদ্ধার তরুণীর দেহ। কেন তিনি চরম পথ বেছে নিলেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা। মৃতার মা কর্মসূত্রে বিদেশে থাকেন। খবর দেওয়া হয় তাঁর বাবাকে। তিনি হাসপাতালে এসে দেহ শনাক্ত করেছেন। পরিবারে শোকের ছায়া।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত কলেজ ছাত্রীর নাম সৃষ্টি প্রধান সাকিয়া। বয়স ২০ বছর। তিনি কার্শিয়াংয়ের মাকাইবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি কলেজে পড়াশোনা করতেন। থাকতেন কলেজের হস্টেলেই। মঙ্গলবার সৃষ্টির জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষে তাঁর বাবা দীপেশ প্রধান সাকিয়া মেয়েকে নিতে যাওয়ার জন্য ফোন করছিলেন। কিন্তু বারবার ফোন করেও কোনও সাড়া পাননি। তাতেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি শিলিগুড়ির হস্টেলে পৌঁছন। কিন্তু মেয়ের কোনও খোঁজ পাননি।
এ দিকে মংপং পুলিশ খবর পায় সেবকের করোনেশন সেতুর নিচে এক তরুণী পড়ে রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেতুর নিচ থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে ওদলাবাড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সেতুর উপর একটি ছোট ব্যাগ পান পুলিশ আধিকারিকরা। সেই ব্যাগের সূত্র ধরেই পুলিশ মৃতার পরিচয় এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার জলপাইগুড়িতে পাঠানো হবে। তরুণী আত্মঘাতী হয়েছেন? যদি হয়ে থাকেন তাহলে কী কারণে। পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
