ভূমিকম্পে ফের কেঁপে উঠল সিকিম (Sikkim Eartquake)! চলতি মাসের শুরুতেই ধারাবাহিকভাবে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সিকিমের মাটি। যা নিয়ে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যেই ফের একবার কম্পন অনুভূত হল সিকিমে। যার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে দার্জিলিং, শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি-সহ একাধিক এলাকায়। যা নিয়ে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বাড়ি এবং কর্মসংস্থল থেকে রাস্তায় নেমে আসে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১ টার কিছু পড়ে সিকিমের গিয়ালশিং এলাকায় এই কম্পন অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুসারে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৪.৬ । গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার। যার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায়। বলে রাখা প্রয়োজন, লাগাতার কম্পন অনুভূত হওয়ার বিপজ্জনক পরিস্থিতি সামলানোর প্রস্তুতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ইতিমধ্যে সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর মক ড্রিল শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। যেখানে ভূমিকম্পের সময় স্ট্যান্ডার্ড ভূমিকম্প সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে চলতে আবেদন জানানো হয়। এমনকী প্রাকৃতিক বিপদ সম্পর্কে রাজ্যজুড়ে স্কুলগুলিতে চলছে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও। এর মধ্যেই ফের কম্পন অনুভূত সিকিমে।
কিন্তু বারবার সিকিমে ভূমিকম্প (Sikkim Eartquake) বড় কোনও অঘটনের ইঙ্গিত দিচ্ছে? হিমালয়ের প্লেট কি আরও সচল হচ্ছে? ইতিমধ্যে জনমানসে এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার এবং আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানিয়েছে সিকিম বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর। সে রাজ্যের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক ভূতাত্ত্বিক ঘটনা এবং নিশ্চিতভাবে এর পূর্বাভাস দেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য মক ড্রিল পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় সম্পর্কে রাজ্যজুড়ে স্কুলগুলিতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চলছে। পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, শান্ত থাকতে, গুজব এড়িয়ে চলতে। বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ স্থান চিহ্নিত করে রাখতেও বলা হয়েছে। ভূমিকম্পের সময় স্ট্যান্ডার্ড ভূমিকম্প সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর।
