দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: হুগলির মানকুণ্ডুতে একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে সোমবার রাতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াল। গতকাল রাত ৮ টায় ওই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রাবাসের ঘর থেকে এক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ।
[বাড়িতে বাউন্সার পাঠিয়ে কেন নজরদারি? শোভনের নির্দেশে ক্ষুব্ধ রত্না]
মৃত ছাত্রের নাম স্বপ্ননীল রবিকর (২৪)। বাড়ি ভাগলপুরের আদম থানা এলাকায়। রীতিমতো মেধাবী স্বপ্ননীল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। সোমবার সন্ধেয় ছাত্রাবাসের অন্যান্য সহপাঠী আবাসিকরা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে বেরলেও স্বপ্ননীল ঘরে ছিলেন। রাতে অন্যান্য আবাসিকরা ফিরে দেখেন স্বপ্ননীল ঘরের মধ্যেই সিলিংয়ের হুকের সঙ্গে দড়ি টাঙিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায়। পরে রাতের দিকে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় কলেজের অন্যান্য আবাসিকরা জানান, সকাল থেকে স্বপ্ননীলের ব্যবহারে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু কী এমন ঘটল যার জন্য স্বপ্ননীলের মত্যু হল, সে বিষয়ে কলেজ সহপাঠীরা কিন্তু কিছু বলতে পারছেন না।
[হাওড়া স্টেশনের পরিষেবায় অখুশি যাত্রীরা, হাজার অভিযোগে বীতশ্রদ্ধ রেলমন্ত্রী]
ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ভাগলপুর থেকে মঙ্গলবার সকালে ভদ্রেশ্বরে আসেন মৃতের বাবা জ্যোতি কুমার। তিনি জানান, ছেলের সঙ্গে রোজ ফোনে কথা হত তাঁর। সোমবারও সকাল থেকে তিন তিনবার স্বপ্ননীলের সঙ্গে তাঁর বাবার ফোনে কথা হয়েছিল। তখনও বাবা বুঝতে পারেননি ছেলের সঙ্গে সেটাই তাঁর শেষ কথা। শোকস্তব্ধ বাবা জানান, কী কারণে ছেলের মৃত্যু হয়েছে তা তিনি নিজেই বুঝতে পারছেন না। এদিকে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান মানসিক আবসাদ থেকেই হয়তো ওই ছাত্র আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানায় পুলিশ।
The post ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য মানকুণ্ডুতে appeared first on Sangbad Pratidin.
