shono
Advertisement

Breaking News

TMC

পুরসভার নথি চুরির চেষ্টা! হালিশহরে তৃণমূলের প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ভাইকে রাস্তায় ফেলে মার, জুতোপেটা

পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে সোমবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হালিশহর পুরসভা। তৃণমূলের সদ্য প্রাক্তন চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষের ভাই পাপন ঘোষকে ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা।
Published By: Suhrid DasPosted: 07:50 PM Jun 22, 2026Updated: 07:50 PM Jun 22, 2026

পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে সোমবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হালিশহর পুরসভা। তৃণমূলের সদ্য প্রাক্তন চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষের ভাই পাপন ঘোষকে ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা। রাস্তায় ফেলে তাঁকে মারা হল। চলল জুতোপেটা! তাঁকে লক্ষ্য করে ডিমও ছোড়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আক্রান্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর তথা সদ্য প্রাক্তন চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষের ভাই পাপন ঘোষ এদিন হঠাৎ পুরসভায় আসেন। অভিযোগ, বহু কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি সরাতেই তাঁর এই উপস্থিতি। খবর ছড়াতেই পুরসভা চত্বরে জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, নথি নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই তাঁকে ঘিরে ধরা হয়। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। মাসের পর মাস বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পুরকর্মীদের একাংশ। সেই সব অনিয়মের প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে বলে দাবি তুলে শুরু হয় বিক্ষোভ। মুহূর্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। 

আক্রান্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। নিজস্ব চিত্র

ডিম ছোড়ার পাশাপাশি জুতো দেখিয়েও ক্ষোভ উগরে দেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। টানাপোড়েনের পর বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের মধ্য থেকে পাপন ঘোষকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। বেশ কিছুক্ষণ কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে থাকে পুরসভা চত্বর। এনিয়ে হালিশহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি মণ্ডলের সহ-সভাপতি জ্যোতির্ময় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, "হালিশহর পুরসভায় দুর্নীতিই নিয়মে পরিণত হয়েছে। চেয়ারম্যান থেকে প্রাক্তন বিধায়ক, বিপদের দিনে কাউকে দেখা যাচ্ছে না। 

অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। মাসের পর মাস বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পুরকর্মীদের একাংশ। সেই সব অনিয়মের প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে বলে দাবি তুলে শুরু হয় বিক্ষোভ।

ভোটের সময় শুভঙ্কর ঘোষ ও তাঁর ভাই সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল। আজ মানুষই তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আর্থিক দুর্নীতির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।" বিক্ষোভে সাঁমিল স্থানীয় বাসিন্দা গোপা দে বলেন, "পুরসভায় কত বড় ঘোটলা হয়েছে, তা মানুষ বুঝে গিয়েছে। কোনওভাবেই নথিপত্র গায়েব হতে দেওয়া হবে না। যারা চোর, তাদের শাস্তি হতেই হবে।" নথি সরানোর অভিযোগের নেপথ্যে বড় কোনও চক্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্তের দাবি উঠেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement