সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: বাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঠাকুমা ও নাতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলার জিনজিরা বাজারে চাঞ্চল্য। তাঁদের খুন করা হয়েছে নাকি অন্য কিছু, তার তদন্ত শুরু করেছে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ গৃহশিক্ষক পড়াতে আসেন। তিনি দেখেন একতলার ঘরের দরজা খোলা। ঘরের ভিতর ঢুকে আঁতকে ওঠেন গৃহশিক্ষক। দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরে পড়ে রয়েছেন ঠাকুমা মায়া মণ্ডল এবং সাত বছরের নাতি। তিনি দেখেন ঠাকুমা এবং নাতির মাথায় এবং গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনিই প্রতিবেশীদের জানান। জিনজিরা বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে আসেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিএসপি (শিল্প)-সহ মহেশতলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা। দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।
[আরও পড়ুন: প্রাথমিকে ৩৬ হাজার প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের চাকরি বাতিল, আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ভাবনায় রাজ্য]
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা মায়া দেবীর স্বামী তারক মণ্ডল দীর্ঘদিন অসুস্থ অবস্থায় ঘরেই ছিলেন। তিনি থাকতেন দোতলায়। তাঁদের পুত্র শেখর মণ্ডল বাড়ির কাছেই একটি ধুপকাঠি কারখানায় কাজ করতেন। তিনি বাড়িতে ছিলেন না। শেখরবাবুর স্ত্রী পারিবারিক অশান্তিতে প্রায় বছর দেড়েক আগে বাপের বাড়ি চলে যান। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, খুন করা হয়েছে তাঁদের। তবে কে বা কারা এই কাজ করল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
