ফের রক্তাক্ত নানুর। পুরনো বিবাদকে কেন্দ্র করে চলল গুলি। মৃত ১। গুলি চলার পাশাপাশি বাঁশ, লাঠি ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আহত দু'পক্ষের ১০ জন। তার মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কীর্ণাহার থানার লডাঙা গ্রামে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। মোতায়েন প্রচুর পুলিশ।
মৃত ব্যক্তির নাম শেখ মকসুদ। বয়স ৪৯ বছর। তিনি গ্রামেরই বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছর খানেক আগে স্থানীয় মসজিদে মৌলবি নিয়োগ নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। এছাড়ও দু'পক্ষের বিবাদ ছিল। তা নিয়ে শনিবার রাতে পরিস্থিতি তপ্ত হয়ে উঠে। অভিযোগ, শেখ মকসুদ রাতে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে নিজের ঘরে আসছিলেন। সেই সময় অপরপক্ষ তাঁর উপর প্রথমে বাঁশ, লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। হাতাহাতি, মারধর শুরু হয়। অভিযোগ, তারপর তাঁকে গুলি করা হয়। চিৎকার শুনে ছুটে আসে মকসুদের পরিবার ও আত্মীয়রা। উভয়পক্ষই বাঁশ, লাঠি, ধারালো নিয়ে একে অপরের উপর চড়াও হয়। শুরু হয় ব্যাপক মারামারি। দুই পক্ষের প্রায় ১০ জন ব্যক্তি আহত হন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে কীর্ণাহার থানার পুলিশ। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় শেখ মকসুদের। মৃত মকসুদের পরিবারের এক সদস্য বলেন, "মকসুদ বাড়িতে ছিল। ওকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পরে গুলি করে খুন করে ওরা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মৃত্যু হয়। গ্রামের মসজিদে মৌলবি নিয়োগ নিয়ে ঝামেলা ছিল।" অভিযুক্ত পক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মকসুদের মৃত্যুর খবর গ্রামে ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গ্রামে মোতায়েন রয়েছে প্রচুর পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
