কাঠফাটা রোদ, প্যাচপ্যাচে ঘাম। এসব এখন অতীত! জুনের প্রথম সপ্তাহেই গরমের তীব্র দাপট থেকে মুক্তি পেতে চলেছে রাজ্যবাসী। তেমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে। টানা দু'দিনের বৃষ্টিতে রাজ্যের তাপমাত্রার পারদ একধাক্কায় অনেকটাই নেমেছে। রবিবার সকাল থেকে আকাশ মেঘলা। যদিও বাতাসে আর্দ্রতা পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে দিনভর। তবে গরমের দাপট উড়িয়ে দিতে ধেয়ে আসছে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেই রয়েছে কালবৈশাখীর সতর্কতা।
রবিবার সারাদিন হাওড়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। এই জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই আবহাওয়া অফিসের তরফে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।
হাওয়ার অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার সারাদিন হাওড়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। কোনও কোনও এলাকায় আবার ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। এই জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই আবহাওয়া অফিসের তরফে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। উইকেন্ডে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে ভিজতে পারে তিলোত্তমাও। সপ্তাহের শুরুতেই বাংলাজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস।
রবিবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। বৃষ্টির সঙ্গে এই জেলাগুলিতে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উত্তরবঙ্গের এই তিন জেলাতেও জারি হলুদ সতর্কতা।
দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও আজ বৃষ্টির দাপট বাড়বে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রবিবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। বৃষ্টির সঙ্গে এই জেলাগুলিতে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উত্তরবঙ্গের এই তিন জেলাতেও জারি হলুদ সতর্কতা। সোমবার আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
মৌসম ভবনের সূত্রে জানা গিয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠে অবস্থিত মৌসুমী অক্ষরেখাটি বর্তমানে সুরতগড়, রোহতক, রেওয়া, রাঁচি, ক্যানিং অতিক্রম করে, সেখান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়াও পূর্ব উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকার অপর অবস্থানকারী ঘূর্ণাবর্তটি বর্তমানে উত্তর পূর্ব উত্তরপ্রদেশের অপর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে০.৯ কিমি উচ্চতায় অবস্থান করছে। এর জেরেই ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।
