দীপঙ্কর মণ্ডল: সদ্যই মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikary)। তাঁর দলবদলের জল্পনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই প্রেক্ষাপটে মেদিনীপুরে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে মেদিনীপুরের সভা থেকে কী বার্তা দিলেন? একনজরে দেখে নিন তাঁর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ ১০ পয়েন্ট।
১. নতুন ধান হাতে কৃষকদের আন্দোলনে পাশে থাকার অঙ্গীকার। মঙ্গলবারের ভারত বন্ধকে সমর্থন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
২. মা-বোনেদের হাতা, খুন্তি নিয়ে রাস্তায় নামার আহ্বান।
৩. ব্লকে ব্লকে আন্দোলন। বহিরাগত কেউ আসছে কিনা নজর রাখার নির্দেশ।
৪. সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপিকে জোরাল আক্রমণ।
৫. বিজেপি বা বিজেপির কোন বন্ধু যদি মনে করে তৃণমূলকে দুর্বল করবে তাহলে বলব, আগুন নিয়ে খেলবেন না।
৬. মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওরা বলছে জেল মে রহো ইয়া ঘরপে রহো। আমি জেল পছন্দ করব। তাক কারণ তাহলে আজাদ হয়ে যাব।”
[আরও পড়ুন: বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে রণক্ষেত্র শিলিগুড়ি, ব্যারিকেড ভেঙে এগোতেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ]
৭. কর্মীদের জন্য নতুন স্লোগান, “জনগণ আছে সঙ্গে তাই একুশে তৃণমূল থাকবে বঙ্গে।
৮. বিজেপি করা এখন ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে। কারণ, বিজেপি চুরির টাকা রাখার ব্যাংক। ওরা দল ভাঙছে। সরকার ভাঙছে।
৯. বিজেপির টাকা আছে। গুন্ডা আছে। ক্ষমতা আছে। ভয় দেখায়। কিন্তু বিজেপির কাছে তৃণমূলের মতো কর্মী নেই। বিজেপির কাছে সোনার ধান নেই।
১০. তাজপুরে রাজ্য সরকার গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি করবে। ১৫ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। ২৫ হাজার মানুষের চাকরি হবে। পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মানুষের প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। এটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
