shono
Advertisement
Santipur Hospital

হাসপাতালের শৌচাগারে পড়ে যুবক, বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু! শান্তিপুরে দেহ আটকে বিক্ষোভ

মৃত যুবকের নাম রাজকুমার ঘোষ। বয়স ৩৬ বছর। তিনি শান্তিপুর থানার কাশ্যপ পাড়া এলাকার বাসিন্দা। যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজকুমার। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে সাইকেল নিয়ে পড়ে যান। খবর পেয়ে যুবকের মা ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে শান্তিপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
Published By: Subhankar PatraPosted: 01:35 PM May 29, 2026Updated: 04:37 PM May 29, 2026

দীর্ঘক্ষণ হাসপাতালের শৌচালয়ে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে যুবক। উদ্ধার করে বেডে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কার্যত বিনা চিকিৎসায় যুবকের মৃত্যু বলে অভিযোগ পরিবারের। দেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান আত্ময়ীরা। শুক্রবার সকালে তুমুল উত্তেজনা শান্তিপুরের হাসপাতালে (Santipur Hospital)। কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের বিরুদ্ধে হাসপাতালের সুপারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে পরিবার।

Advertisement

মৃত যুবকের নাম রাজকুমার ঘোষ। বয়স ৩৬ বছর। তিনি শান্তিপুর থানার কাশ্যপ পাড়া এলাকার বাসিন্দা। যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন সকালে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজকুমার। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে সাইকেল নিয়ে পড়ে যান। খবর পেয়ে যুবকের মা ও পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে শান্তিপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অভিযোগ, হাসপাতালে তাঁকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ রাখা হয়। বারবার বলার পরও পর্যাপ্ত চিকিৎসা মেলেনি। কিছুক্ষণ পরে যুবক শৌচালয়ে যেতে চাইলে পরিবারের লোকজনই তাঁকে বাথরুমে নিয়ে যান। সেই সময় যুবকের স্যালাইন খুলে দেওয়া হয় বলে পরিবারের দাবি।

যুবকের মা ও দিদি জানিয়েছেন, তাঁরা রাজকুমারকে শৌচাগারের নিয়ে গেলে সেখানেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। চিকিৎসক ও হাসপাতালের কর্মীদের ডাকলেও দীর্ঘ সময় কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগ। মৃতের পরিবারের দাবি, প্রায় আধ ঘণ্টা বাথরুমের মেঝেতেই পড়ে ছিলেন রাজকুমার ঘোষ। পরে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা  তাঁকে উদ্ধার করে বেডে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পরই হাসপাতালে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মৃতের পরিবার। পরিবারের দাবি, সময়মতো চিকিৎসা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা মিললে যুবকের মৃত্যু হত না। চিকিৎসক, নার্স ও কর্তব্যরত কর্মীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে হাসপাতাল সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। মৃতের পরিবারের এক সদস্যের অভিযোগ, "অনেক কষ্ট করে বাথরুমে নিয়ে যেতে হয়। সেখানে পড়ে যাওয়ার পর বহুবার ডাকাডাকি করেছি। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। চিকিৎসার গাফিলতির কারণেই আজ আমাদের ছেলেকে হারাতে হল।" খবর পেয়ে হাসপাতালে বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক স্বপনকুমার দাস।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement