নামকরা রেস্তরাঁয় ভর্তি পচা মাংস! উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার বাজারে খাদ্য দপ্তর, পৌরসভা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে কিলো কিলো পচা মাংস উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। তার মধ্যে মুরগি ও খাসির মাংস ছিল। কেন পচা মাংস এভাবে জমিয়ে রাখা হয়েছে? তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্ট রেস্তরাঁকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাদুড়িয়ায়।
বসিরহাটের বাদুড়িয়া বাজার এলাকার ওই রেস্তরাঁয় দীর্ঘদিন ধরে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই খাদ্য দপ্তর, পৌরসভার আধিকারিক এবং পুলিশের একটি যৌথ দল রেস্তরাঁয় অভিযান চালায়। তল্লাশির সময় মজুত রাখা বেশ কিছু মাংসের নমুনা নিয়ে আধিকারিকদের সন্দেহ তৈরি হয়। পরে সেগুলি পরীক্ষা করে দেখা যায়, পচা ও ব্যবহারের অনুপযোগী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাটের বাদুড়িয়া বাজার এলাকার ওই রেস্তরাঁয় দীর্ঘদিন ধরে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ উঠছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই খাদ্য দপ্তর, পৌরসভার আধিকারিক এবং পুলিশের একটি যৌথ দল রেস্তরাঁয় অভিযান চালায়। তল্লাশির সময় মজুত রাখা বেশ কিছু মাংসের নমুনা নিয়ে আধিকারিকদের সন্দেহ তৈরি হয়। পরে সেগুলি পরীক্ষা করে দেখা যায়, পচা ও ব্যবহারের অনুপযোগী। এরপরই মাংসগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়। অভিযান ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।
রেস্তরাঁয় কীভাবে এত পরিমাণ মাংস মজুত ছিল, সেগুলি কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং ওই মাংস রান্না করে ক্রেতাদের পরিবেশন করা হয়েছিল কি না, সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। বাদুড়িয়ায় এর আগেও পচা মাংস উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক বছর আগে বাদুড়িয়ার একটি গোপন আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ পচা মাংস উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। সেই ঘটনায় ভাগাড়ের মাংস বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় সরবরাহের অভিযোগ সামনে আসে। তদন্তে নেমে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে পচা মাংস উদ্ধারের পাশাপাশি একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং বেশ কিছু রেস্তরাঁ বন্ধ করার পদক্ষেপও করা হয়েছিল।
এবার ফের বাদুড়িয়ার একটি নামকরা রেস্তরাঁ থেকে পচা মাংস উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে খাবারের মান এবং মাংস সংরক্ষণের পদ্ধতি নিয়ে। খাদ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে রেস্তরাঁটিকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মাংসের নমুনা পরীক্ষা এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
