কলকাতার ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউশনে পাওয়া গিয়েছিল বিষধর সাপ। সেই ঘটনার রেশ কাটকে নয়া কাটতেই দুর্গাপুরের (Durgapur) এক স্কুলের ক্লাসরুমে পাওয়া গেল বিশালাকার চন্দ্রবোড়া! ক্লাস চলাকালীন ওই বিষধরের উপস্থিতি দেখেই আতঙ্ক ছড়ায়। পড়ুয়ারা ছোটাছুটি শুরু করে। শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।
দুর্গাপুরের বুদবুদ এলাকার খেতুড়া আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যান্য দিনের মতো আজ, মঙ্গলবারও পঠনপাঠন চলছিল। স্কুল শুরু হওয়ার প্রায় আধ ঘণ্টা পর আচমকাই দ্বিতীয় শ্রেণির ঘরে ঢুকে পড়ে একটি বিশালাকার চন্দ্রবোড়া সাপ! ওই বিষধরকে দেখে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়ায় খুদে পড়ুয়াদের। ক্লাসে উপস্থিত শিক্ষকও ভয় পেয়ে যান। চন্দ্রবোড়ার ছোবল খেলে বেশি সময় পাওয়া যায় না। এদিকে ক্লাসে ঢোকা সাপটি যডি পড়ুয়াদের আক্রমণ করে, সেই নিয়েই প্রবল আতঙ্ক ছড়ায়।
মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা স্কুলে। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে খুদে পড়ুয়ারা। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ সিরাজুল হক জানিয়েছেন, এর আগেও একাধিকবার স্কুলের ভিতরে সাপ ঢুকে পড়েছে। বর্ষাকালে প্রবল আতঙ্কে থাকতে হয়। শেষপর্যন্ত স্থানীয় এক যুবক ওই সাপটিকে ধরে ফেলায় কোনও বড় অঘটন হয়নি। এদিকে সাপ ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ায় আতঙ্কিত অভিভাবকরাও। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলের চারদিকে ঝোপঝাড়। স্কুলের পিছনের দিকের দেওয়ালও ভেঙে পড়েছে। সেদিকে একটি বড় জলাশয়ও আছে। বারবার স্কুলে সাপ ঢুকে পড়ছে বলেও অভিযোগ। স্কুলচত্বরেও বিষধর সাপের আস্তানা থাকতে পারে! সেই আশঙ্কাও করা হয়েছে। এদিন বিষধর সাপ ঢুকে পড়ায় পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দ্রুত স্কুল চত্বর পরিষ্কার করা এবং ভেঙে যাওয়া জলাশয়ের পাড় ও স্কুলের দেওয়াল মেরামতের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
