shono
Advertisement

Breaking News

জলপাইগুড়িতে রেলের পরিত্যক্ত ঘরে লাইসেন্সবিহীন হোমের হদিশ

রাতারাতি সরানো শিশুরা কোথায় গেল! The post জলপাইগুড়িতে রেলের পরিত্যক্ত ঘরে লাইসেন্সবিহীন হোমের হদিশ appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 12:38 PM Mar 09, 2017Updated: 07:09 AM Mar 09, 2017

ব্রতীন দাস, শিলিগুড়ি: শিশু পাচার-কাণ্ডের মধ্যেই জলপাইগুড়িতে লাইসেন্সবিহীন হোমের হদিশ৷

Advertisement

ময়নাগুড়ির দোমোহনিতে রেলের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারে বেআইনিভাবে চলছিল হোমটি৷ আলো-বাতাসবিহীন বসবাসের অযোগ্য ঘরে ঠাসাঠাসি করে উনত্রিশটি শিশুকে রাখা হত বলে অভিযোগ৷ খোঁজ পেতেই হোমটিতে হানা দেন শিশু পাচার নিয়ে তদন্তে আসা কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা৷ যদিও ওই হোমে গিয়ে কোনও শিশুর হদিশ মেলেনি৷ চন্দনার শিশু পাচারের কারবার সামনে আসতেই রাতারাতি ওই হোম থেকে শিশুদের সরিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর৷ সেক্ষেত্রে কোথায় গেল শিশুরা? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে৷ সব শিশুকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে কি না তা ঘিরেও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷

(চন্দনার হোমে শিশুদের কান্না থামাতে দেওয়া হত ঘুমের ওষুধ!)

হোমটি বন্ধে পদক্ষেপ করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস-এর সদস্যরা৷ সেইসঙ্গে জেলা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে বছরের পর বছর কীভাবে হোমটি চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ ‘সঙ্ঘমিত্রা ট্রাস্ট’ নামে হোমটি ময়নাগুড়ির এক লাইন হোটেলের মালিক রাজু সেন চালাতেন৷ ওই হোমের নামে অনুদান সংগ্রহ করা হত৷ মূলত চা বলয়ের গরিব পরিবারের শিশুদের খাওয়া-পড়ার টোপ দিয়ে ওই হোমে নিয়ে আসা হত৷ এখানেও শিশু পাচারের জাল ছড়িয়ে ছিল কি না তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে৷

(এবার দোলে বাজার মাতাবে বেলপাতার আবির)

কয়েকদিন আগেই দার্জিলিংয়ের সুখিয়াপোখরিতে এধরনের একটি বেআইনি হোমের হদিশ মেলে৷ জেলা প্রশাসনের তরফে হোমটি সিল করে দেওয়া হয়েছে৷ যদিও হোমের কর্ত্রী এখনও বেপাত্তা৷ তিনি নেপালে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ সুখিয়াপোখরির হোমটি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ প্রথমে ওই হোমের পনেরো শিশুর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না৷ পরে দেখা যায়, বেআইনি কারবারের পর্দা ফাঁস হয়ে গিয়েছে টের পেয়ে রাতারাতি শিশুদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়ে গা ঢাকা দেন হোমের কর্ত্রী৷ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে লাইসেন্সবিহীন এরকম হোম আরও রয়েছে বলে অভিযোগ৷

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই যে ময়নাগুড়ির দোমোহনিতে সঙ্ঘমিত্রা হোমটি চলছিল, তা স্বীকার করে নিয়েছেন মালিক রাজু সেন৷ তাঁর দাবি, অনুমতির জন্য আবেদন করেছিলেন৷ কিন্তু অনুমোদন মেলেনি৷ অথচ তার পরও কেন হোমটি চালাচ্ছিলেন তিনি–প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেননি লাইন হোটেলের মালিক৷

The post জলপাইগুড়িতে রেলের পরিত্যক্ত ঘরে লাইসেন্সবিহীন হোমের হদিশ appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement