shono
Advertisement

Breaking News

Tarapith Hotel Shut

তারাপীঠে অবিলম্বে ১৫ হোটেল বন্ধের নির্দেশ, 'বিদেশিনী' বিপর্যয়ের পর আরও সতর্ক প্রশাসন

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর আজ, মঙ্গলবার জরুরিভিত্তিতে বৈঠকে বসেন জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকরা।
Published By: Kousik SinhaPosted: 02:14 PM Aug 18, 2026Updated: 03:25 PM Aug 18, 2026

‘বিদেশিনী’তে অগ্নিকাণ্ডের জের। ঝাঁপ বন্ধ হল তারাপীঠের ১৫টি হোটেলের (Tarapith Hotel Shut)। সোমবার ওই হোটেলের বিধ্বংসী আগুনে ৯ জনের মৃত্যু হয়। এহেন ঘটনায় প্রশ্নের মুখে হোটেলের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা। বিশেষ করে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর কৌশিকী অমাবস্যা। এই সময় দেশবিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্তসমাগম ঘটে তারাপীঠে। সরেজমিনে পরিস্থিতি বুঝতে প্রত্যেকটি হোটেলে ফায়ার অডিটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। সূত্রের খবর, অডিটে একাধিক হোটেলের বেনিয়ম সামনে এসেছে। এরপরেই সিদ্ধপীঠের ১৫টি হোটেল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হল।

Advertisement

সোমবারের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরেই রাতারাতি ফাঁকা তারাপীঠ। পর্যটকদের বাড়ি ফেরার হিড়িক পড়ে গিয়েছে।

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর আজ, মঙ্গলবার জরুরিভিত্তিতে বৈঠকে বসেন জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকরা। মূলত অডিট কমিটির গঠন নিয়ে এই বৈঠকে চর্চা হয় বলে খবর। পাশাপাশি তারাপীঠজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হোটেলগুলির নিরাপত্তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে খবর। যদিও বৈঠক শেষে রামপুরহাট মহকুমা শাসক অশ্বিনী বি রাঠোর জানান, ''মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে অডিট কমিটি তৈরি করা হয়েছে। মূলত কৌশিকী অমবস্যার আগে ভক্তদের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সেজন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।''

একইসঙ্গে ১৫টি হোটেল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানান মহকুমাশাসক। তিনি বলেন, ফায়ার, দূষণ থেকে বিদ্যুৎ, একাধিক ক্ষেত্রে বেনিয়ম সামনে এসেছে ১৫টি হোটেলের। আগেই এই বিষয়ে হোটেলগুলিকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আর সেই কারণেই ১৫টি হোটেলকে নোটিস করা হয়েছে।'' তবে এহেন পদক্ষেপ নতুন নয়, গতমাসেও তারাপীঠের ৮টি হোটেলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানান রামপুরহাট মহকুমা শাসক অশ্বিনী বি রাঠোর।

এদিকে সোমবারের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরেই রাতারাতি ফাঁকা তারাপীঠ। পর্যটকদের বাড়ি ফেরার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বাঁকুড়ার সৌমেন পাত্র, শিলিগুড়ির জগদীশ ঘোষ, নদিয়ার শ্রীময়ী চট্টোপাধ্যায়-সহ বহু পর্যটকের বুধ, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হোটেল বুকিং ছিল। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের পর নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁরা হোটেল ছেড়ে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছেন। পর্যটকদের বক্তব্য, যে হোটেলটিতে আগুন লেগেছিল, তার সামনে কিছুটা ফাঁকা জায়গা থাকলেও এত প্রাণহানি ঘটেছে। অথচ আশপাশের বহু হোটেল কার্যত গায়ে গায়ে লাগানো। ফলে সেখানে আগুন লাগলে এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারত। আর এহেন আতঙ্কেই বুকিং বাতিল করে দ্রুত বাড়ি ফিরতে চাইছেন পর্যটকরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement