পালাবদলের পর কলকাতার সব স্কুলে মিড ডে মিলের (Mid-Day Meal) দায়িত্ব ইসকনকে দিয়েছে রাজ্য সরকার। কলকাতার পর সেই তালিকায় জুড়ছে পুরুলিয়া জেলা। পুরুলিয়ার সব সরকারি স্কুলে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসকনকে। আজ মানবাজার থেকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। যদিও তিনি স্পষ্ট করে দেন, মিড ডে মিলের কোনও রাঁধুনী কাজ হারাবেন না। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে আলাদা করে সপ্তাহে দুই দিন পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে।
সোমবার পুরুলিয়ার মানবাজারে জলপ্রকল্পের সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন মুখ্য়মন্ত্রী। তিনি বলেন, গোটা জঙ্গলমহলজুড়ে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার সব স্কুলে পাখা, অ্যাকোয়াগার্ড, স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন বসানে হবে। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর মিড ডে মিলে বরাদ্দ বেড়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্যও মাথাপিছু বরাদ্দ ১০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়ারা যাতে ভালো খাবার পায় সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, কলকাতায় সব সরকারি স্কুলে ২ লাখ ৪৫ হাজার ছাত্রছাত্রীকে সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবার দিচ্ছে ইসকন। প্রথম দফায় কলকাতায় চালু হলেও গোটা রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে ধাপে ধাপে মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই তালিকায় কলকাতার পর জুড়ছে পুরুলিয়া জেলার নাম। প্রথমে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিল, পড়ুয়াদের ডিম থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই নিয়ে আলোচনা শুরু হতে রাজ্য় সরকার ঘোষণা করে, আলাদা করে সপ্তাহে দুই দিন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে। ইসকন যেমন নিরামিষ খাবার প্রদান করছে তেমনই প্রদান করবে। মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকন পাওয়ার পর রাঁধুনীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়ে দেন, কোনও রাঁধুনী কাজ হারাবে না। তাঁদের কাজ বহাল থাকবে।
