সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল কল্যাণী JNM হাসপাতাল (Kalyani JNM Hospital)। হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ মৃতের পরিবারের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য রোগী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। পরবর্তীতে পুলিশের উপস্থিতিতে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি।
জানা গিয়েছে, মৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম তাপস সাহা। তাঁর বয়স ৩৬ বছর। উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরের বাগ মোড়ের বাসিন্দা তিনি। বারাকপুর কমিশনারেটের অন্তর্গত বীজপুর থানায় সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তাপস। শনিবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরেন তিনি। তারপরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভোর পাঁচটা নাগাদ তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে (Kalyani JNM Hospital)। শুরু হয় চিকিৎসা। চিকিৎসা চলাকালীন চিকিৎসকরা জানান, গ্যাসের কারণে সুগার ফল করেছে। এরপর দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।
তাপসের মৃত্যুর খবর জানা মাত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। মৃতের পরিবারের সদস্যরা পুরুষ মেডিসিন বিভাগের সিস্টারের ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণের মধ্যে বীজপুর থানার অধীনে কর্মরত বহু সিভিক ভলান্টিয়ার সেখানে হাজির হন। তারাও হাসপাতাল ভাঙচুরে অংশ নেয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছুক্ষণ পর পুলিশের উপস্থিতিতে আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। গোটা ঘটনায় প্রবল আতঙ্কে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। চিকিৎসকদের কথায়, তাঁদের কোনও নিরাপত্তাই নেই। বারবার এহেন ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেই অভিযোগ চিকিৎসকদের একাংশের। মৃতের পরিবারের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
