কুড়মালি ভাষাকে অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্তিকরণ এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বুধবার নয়াদিল্লিতে সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে আদিবাসী কুড়মি সমাজ দ্বিতীয়বার বৈঠক করে। কুড়মি জনজাতিদের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্তিকরণ সম্ভবত চলতি বছরে শীতকালীন অধিবেশনেই। তবে এই বিষয়ে একটা কথাও বলতে চাননি আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা অজিত প্রসাদ মাহাতো।
এদিনের সাক্ষাৎপর্বে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, জামশেদপুরের সাংসদ বিদ্যুৎবরণ মাহাতো, গিরিডির সাংসদ সিপি চৌধুরি, রাজ্যসভার সাংসদ খিরু মাহাতো। আদিবাসী কুড়মি সমাজ সূত্রে খবর, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ওই সামাজিক সংগঠনের একটি কর্মসূচিতে আসবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওইদিন তাঁর মুখ থেকে কুড়মিদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বড় ঘোষণা শোনা যেতে পারে।
গত বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, কুড়মালি ভাষাকে অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তারপর আদিবাসী কুড়মি সমাজের আশা ছিল বাদল অধিবেশনেই এই বিষয়টি অনুমোদন পেয়ে যাবে। কিন্তু কয়েকটি কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে কুড়মি জনজাতিদের দীর্ঘদিনের দাবি যে পূরণ হচ্ছেই তা এদিনের বৈঠক অর্থাৎ দ্বিতীয় আলোচনা থেকেই একেবারে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। তবে শুধু এই দাবি নয়। কুড়মি জনজাতিদের আদিবাসী তালিকাভুক্তর প্রধান দাবিও কার্যত পূরণের পথে। এদিনের বৈঠক থেকে সেই ইঙ্গিতও মিলেছে। সব মিলিয়ে জঙ্গলমহলে কুড়মি জনজাতিদের মধ্যে এখন খুশির হাওয়া।
