টানা বৃষ্টির পর সামান্য উন্নতি হয়েছে পাহাড়ের আবহাওয়ার। সামান্য রোদের দেখা মিলেছে। তবে প্রবল ভূমিধস শুরু হয়েছে দার্জিলিংয়ের একাধিক জায়গায়। সোমবার সকালে জোরবাংলো থেকে পেশক হয়ে তিস্তা বাজার যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি সড়কে প্রবল ধস নেমেছে। রাস্তার একটা অংশ এই মুহূর্তে কার্যত সম্পূর্ণ উধাও হয়ে গিয়েছে। ধসের কারণে বিপর্যস্ত যান চলাচল। জনজীবনেও প্রভাব পড়েছে যথেষ্ট।
সাত সকালে ভূমিধসের জেরে বিপর্যস্ত হয় যোগাযোগ ব্যবস্থা। ওই রুটে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আটকে পড়ে বহু যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি। ঘটনার খবর মিলতে পূর্ত দপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারা উদ্ধারকারী দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়। রাস্তা মেরামত না হওয়া পর্যন্ত বিপদ এড়াতে আপাতত একমুখী গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আটকে থাকা গাড়িগুলোকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পারাপার করানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা। পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশক রোডের জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্টের কাছে ভূমিধসের ঘটনাটি ঘটেছে। ফলে দার্জিলিং-তিস্তা রুটে যানবাহন চলাচল বিপর্যস্ত হয়েছে। এই রুটে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং গ্যাংটকের মধ্যে যানবাহন চলাচল করে। এদিকে প্রায় এক মাস পর হালকা যানবাহনের জন্য ‘২০তম মাইল’ এলাকা খুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে এলাকার রাস্তা খোলা হয়েছে। এহেন পদক্ষেপে স্বস্তি পেয়েছেন বারদাং ও সিংতামের বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে চলা সড়ক বিভ্রাটের কারণে বারদাং, সিংটাম, রংপো ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। অবশেষে তাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছেন। তবে যান চলাচল শুরু হলেও কতদিন চলবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
