shono
Advertisement
TMC

'ডিমথেরাপির' ভয়ে বাড়িতেই? তৃণমূল বিধায়কের নামে 'নিখোঁজ' পোস্টার! চাঞ্চল্য দক্ষিণ হাওড়ায়

ভোটে জেতার পর থেকে আর দেখা যায়নি তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে! বিধায়ক নন্দিতা চৌধুরী 'নিখোঁজ' বলে এবার পোস্টার পড়ল দক্ষিণ হাওড়ায়। কে বা কারা এই পোস্টার দিল? সেই নিয়ে জোর জল্পনা দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ, বিজেপি ওই পোস্টার দিয়েছে।
Published By: Suhrid DasPosted: 08:49 PM Jul 10, 2026Updated: 08:49 PM Jul 10, 2026

ভোটে জেতার পর থেকে আর দেখা যায়নি তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে! বিধায়ক নন্দিতা চৌধুরী 'নিখোঁজ' বলে এবার পোস্টার পড়ল দক্ষিণ হাওড়ায়। কে বা কারা এই পোস্টার দিল? সেই নিয়ে জোর জল্পনা দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের একাংশের অভিযোগ, বিজেপি ওই পোস্টার দিয়েছে। যদিও বিজেপির তরফে এই অভিযোগ মানতে চাওয়া হয়নি। প্রসঙ্গত, রাজ্যের পালাবদলের পরে তৃণমূল কংগ্রেসে মুষলপর্ব চলছে। তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে। ঋতব্রত শিবিরে এই মুহূর্তে ৬৫ জন বিধায়ক রয়েছেন। সেই দলে রয়েছেন নন্দিতা চৌধুরীও।

Advertisement

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব, কর্মীদের ডিম ছোড়া হচ্ছে! দুর্নীতির একাধিক অভিযোগও উঠছে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ হাওড়ার বর্তমান তৃণমূল বিধায়ক নন্দিতা চৌধুরীর এক অনুগামীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। পালাবদলের পরে সেই যুবক গা ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তৃণমূল বিধায়কেও ফলপ্রকাশের পর দিন থেকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ তুলে দানেশ শেখ লেন, চুনাভাটি এলাকায় বিধায়ক নিখোঁজ বলে পোস্টার পড়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা তথা ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্যামল হাতি বলেন, "নন্দিতা চৌধুরী আমাকে হারিয়েছিলেন। ফলপ্রকাশের দিন কাউন্টিং সেন্টারে ওঁনাকে শেষবার দেখেছিলাম, শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম। তার পর আর এলাকায় ওঁনার দেখা মেলেনি।"

বিজেপি নেতা আরও বলেন, "দক্ষিণ হাওড়ার মানুষ কোনও পরিষেবা পাচ্ছেন না। চুনাভাটিতে বেআইনিভাবে গুমটি বসিয়েছেন। চাঁদমারি রোডের অবস্থা খারাপ তাতে বিধায়কের নজর নেই। এলাকার মানুষ নাগরিক পরিষেবা না পেয়েই বিধায়ক নিখোঁজ বলে পোস্টার দিয়েছেন।" বিজেপি পোস্টার দেয়নি বলেও তিনি দাবি করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল বিধায়ক বাড়িতেই থাকছেন বেশিরভাগ সময়। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বাড়ির কার্যালয়েই প্রতিদিন তিনি বসছেন। তৃণমূলের পালটা প্রশ্ন, বিধায়ক কী লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখা দেবেন? বিধায়ক তাঁর নিজের জায়গায় থেকে তাঁর যা কাজ তাই করছেন।

প্রশ্ন উঠেছে, বিধায়ক কি ডিম খাওয়ার ভয়ে বাইরে বেরচ্ছেন না? যদিও এই বিষয়কে আমল দিতে নারাজ নন্দিতা চৌধুরী। তিনি বলেন, "এটা বিজেপির কাজ। আমি সকাল ১০টা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত বিধায়কের কার্যালয় থেকে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিই। শুধু তাই নয়, এলাকায় ঘুরে পরিষেবাও আমি দিচ্ছি। বিজেপির কিছু কর্মী পোস্টার দিচ্ছে। ওদের প্রবীণ নেতৃত্ব এসব করছেন না।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement