বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ। শুক্রবার সকালে উদ্ধার কিশোরের ঝুলন্ত দেহ। দুর্গাপুরের জেমুড়া এলাকায় চাষের জমির পাশে একটি টিনের চাল থেকে ঝুলে থাকা দেহ উদ্ধার। কিন্তু তার পা মাটিতেই রয়েছে। পরিবার অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছে। কিশোরকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, উঠছে সেই প্রশ্ন। এ দিকে বুধবার এক কিশোরীর সঙ্গে তাকে দেখা গিয়েছিল। মৃত্যুর পিছনে প্রেমঘটিত কোনও কারণ রয়েছে নাকি তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মৃত কিশোরের নাম শেখ রশিদুল। বয়স ১৭ বছর। সে জেমুয়া এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয় জেমুয়া এলাকারই চাষ জমির পাশের একটি মাচা থেকে। টিনের চাল থেকে তাকে ঝুলতে দেখা যায়। কিন্তু পা মাটিতেই ছিল। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাথরুমে যাচ্ছি বলে নিখোঁজ হয়ে যায় রশিদুল। শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের থেকে রশিদুল মৃত্যুর খবর পায় পরিবার।
এই ঘটনার আগে বুধবার রশিদুলকে এক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। তাদের আটকায় পুলিশ। পরেও ছেড়ে দেয়। সেদিন রাত রশিদুল বন্ধুর বাড়িতে কাটিয়েছিল। বৃহস্পতিবার বাড়ি ফেরে। সন্ধ্যার পর নিখোঁজ হয়ে যায়। রশিদুলের দাদা জানিয়েছেন, "বুধবার একটি মেয়ের সঙ্গে পানাগড়ের দিকে যাচ্ছিল। তখন পুলিশ আটকেছিল। পরে ছেড়েও দেয়। সেদিন রাত বন্ধুর কাটিয়েছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাথরুম যাচ্ছি বেরিয়ে যায়। তারপর থেকে খোঁজ পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকালে ভাইয়ের দেহ উদ্ধার হয়। গলায় দড়ি বাঁধা রয়েছে কিন্তু পা মাটিতে রয়েছে। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। সঠিক তদন্ত চাইছি।"
পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। পরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
